ভারতে নাশকতার ছক কষা আটজনকে সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়েছে তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদা থেকে। আর এবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থেকে এক যুবককে গ্রেফতার করা হল পাকিস্তান যোগ থাকার অভিযোগে। ধৃত যুবকের নাম সুমন শেখ। জানা গিয়েছে, বাংলার এসটিএফ কয়েকদিন আগে মুর্শিদাবাদ থেকে জুহাব শেখ নামে এক যুবককে পাক যোগ থাকার সন্দেহে গ্রেফতার করেছিল। পরে সেই যুবককে জেরা করে এই সুমনের খোঁজ পায় পুলিশ। ২২ ফেব্রুয়ারি এই সুমনকেও গ্রেফতার করা হয়। কার্যত পাকিস্তানি গুপ্তচর হিসাবেই কাজ করছিল সে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, বহরমপুরের গির্জার মোড় এলাকা থেকে প্রথমে সুমনকে আটক করা হয়। তাকে তার বাড়িতে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। সেখানে তল্লাশি অভিযান এবং জেরার পরে সুমন শেখকে গ্রেফতার করা হয়। জুহাব এবং সুমন দু'জনেই না ভারতীয় সিম কার্ড থেকে পাকিস্তানে ওটিপি পাঠিয়েছেন। এমনকী সোশ্যাল মিডিয়াতেও বহু পাকিস্তানিদের সঙ্গে যোগ রয়েছে সুমনের। এদিকে ধৃত সুমনের পরিবার দাবি করছে, সে ডেলিভারির কাজ করত। যদিও পুলিশ জানাচ্ছে, সুমন এবং জুহাব আদতে সিমকার্ড বিক্রেতা।
ধৃত সুমন এবং জুহাবের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? সাধারণ মানুষের নথি ব্যবহার তাদের অজ্ঞাতেই সিমকার্ড কিনত সুমন এবং জুহাব। তারপর সেই সিমকার্ডের নম্বর দিয়ে পাকিস্তানে হোয়াটসঅ্যাপ খুলতে সাহায্য করত তারা। হোয়টসঅ্যাপে নম্বর ভেরিফিকেশনের জন্য যে ওটিপি আসে, তা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিত তারা। তাতে সেখানেই এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে যেত। আর এর বিনিময়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত।
এদিকে এর আগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মালদহ থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম উমর ফারুক এবং রবিউল ইসলাম। উমর মালদহের বাসিন্দার। রবিউল বাংলাদেশি। এরা লস্করের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এছাড়া তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার মিজানুর রহমান, মহম্মদ শব্বত, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বলরা সবাই বাংলাদেশি। শাব্বির আহমেদ লোন নামে একজন হ্যান্ডলার নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে নাশকতা ছকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল এই বাংলাদেশিরা। এই শব্বির লোন কাশ্মীরি। ২০০৭ সালে এক আত্মঘাতী হামলার চেষ্টার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে সেখানে ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল। সম্প্রতি কলকাতায় সে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল। বড়সড় এক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল এই শব্বির। আর সেই ছকের ঘুঁটি ছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গিরা।
{{/usCountry}}এদিকে এর আগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মালদহ থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম উমর ফারুক এবং রবিউল ইসলাম। উমর মালদহের বাসিন্দার। রবিউল বাংলাদেশি। এরা লস্করের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এছাড়া তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার মিজানুর রহমান, মহম্মদ শব্বত, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বলরা সবাই বাংলাদেশি। শাব্বির আহমেদ লোন নামে একজন হ্যান্ডলার নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে নাশকতা ছকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল এই বাংলাদেশিরা। এই শব্বির লোন কাশ্মীরি। ২০০৭ সালে এক আত্মঘাতী হামলার চেষ্টার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে সেখানে ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল। সম্প্রতি কলকাতায় সে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল। বড়সড় এক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল এই শব্বির। আর সেই ছকের ঘুঁটি ছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গিরা।
{{/usCountry}}