...
...
Next Story

Pakistani Spy Arrested from Pingla: পিংলায় বসে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, রাজ্য পুলিশের STF-এর জালে দুই যুবক

রিপোর্ট অনুযায়ী, গোপন সূত্রে তথ্য পাওয়ার পর তদন্তে নামে এসটিএফ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুই ব্যক্তি বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য, ছবি এবং ওটিপি পাকিস্তানে পাঠানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল। অভিযোগ, তারা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান করত এবং তার বিনিময়ে অর্থও পেত।

Published on: May 28, 2026, 10:19:18 IST
Advertisement

পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক মোবাইল ফোন, সিম কার্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল তথ্য উদ্ধার হয়েছে। পিংলা থেকেই দু'জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, গোপন সূত্রে তথ্য পাওয়ার পর তদন্তে নামে এসটিএফ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুই ব্যক্তি বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য, ছবি এবং ওটিপি পাকিস্তানে পাঠানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল। অভিযোগ, তারা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান করত এবং তার বিনিময়ে অর্থও পেত। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই তথ্যগুলি বেআইনি কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এর পাশাপাশি হোয়টস্যাপের ওটিপি পাঠিয়ে গুপ্তচর বৃত্তিতে সাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে।

পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ।
পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধৃতদের মধ্যে একজনকে প্রথমে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে আরও এক ব্যক্তির নাম সামনে আসে। এরপর দ্বিতীয় ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়। দু’জনেই সিম কার্ড বিক্রির কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত কোনও চক্রের হয়ে তারা কাজ করছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, ভারতীয় মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করার জন্য ওটিপি পাচার করা হত। সেই অ্যাকাউন্টগুলি পরে সীমান্তের ওপার থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, টেলিগ্রাফ আইন এবং বিদেশি সংক্রান্ত আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না। গোটা ঘটনার পিছনে বড় কোনও নেটওয়ার্ক রয়েছে কি না, তাও অনুসন্ধান করা হচ্ছে। গতকাল এই দুই ধৃতকে পেশ করা হয়েছিল আদালতে।

২০০৫ সালে লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়ার সঙ্গে জাফরের বিয়ে হয়। পরে আর্থিক সঙ্কটের সময় পাকিস্তানে যাওয়ার পরামর্শ আসে শ্বশুরবাড়ি থেকে। প্রথমে স্ত্রীকে লাহোরে পাঠিয়ে দেন তিনি, পরে নিজেও পর্যটক ভিসায় পাকিস্তানে যান। সেখানেই বিদেশি নথিভুক্তিকরণ দফতরে আওয়াইশ নামে এক পাক আধিকারিকের সঙ্গে পরিচয় হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। সেই সূত্রেই পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয় জাফরের। শ্বশুরবাড়ির সূত্র ধরে পাকিস্তানি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানায় জাফর। সেই সময়ই আলাপ হয় আওয়াইসের সঙ্গে।

এনআইএ সূত্রে দাবি, এরপর নিয়মিত চিকিৎসার অজুহাতে ভারতে আসত জাফর এবং দেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনার ছবি ও তথ্য পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের পাঠাত। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে পঞ্জাবে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তাকে এবং বিহারের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। অভিযোগ, সামরিক ঘাঁটি সংক্রান্ত তথ্য পাচারের কাজ চলছিল পঞ্জাবকে কেন্দ্র করে। পরে জামিন পেলেও নতুন করে তদন্তে তার নাম সামনে আসে। জাফর শুধু নিজে গুপ্তচরবৃত্তি করত না, সে আরও গুপ্তচর নিয়োগ করেছিল। অমৃতসর রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে লেবুজলের দোকানদার মহম্মদ শামসাদ ছিল এমনই একজন।

সম্প্রতি পহেলগাঁও হামলার তদন্তে ধৃত সিআরপিএফ কর্মী মোতিরাম জাটকে জেরা করতে গিয়েই ফের জাফরের নাম উঠে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। প্রায় এক বছর ধরে খোঁজ চালানোর পর কলকাতার উপকণ্ঠ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে রিপোর্টে জানা গিয়েছে, গত কয়েকমাসে বেশ কয়েকবার সে বাংলাদেশেও গিয়েছিল জাফর। এই আবহে এনআইএ এখন খতিয়ে দেখছে, কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গে কোনও গুপ্তচর চক্র বিস্তারের চেষ্টা হয়েছিল কি না।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe