...
...
Next Story

কলকাতা বন্দরের ছবি ইসলামাবাদে! ১০ বছর কারাদণ্ডের পর বাড়ি ফিরছে পাকিস্তানি গুপ্তচর

কলকাতার নগর দায়রা আদালতের মুখ্য বিচারক সুকুমার রায় ওই আদেশ দিয়েছেন। বিচারক ওই সাজার সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জারিমানার আদেশ দেন।

Published on: Feb 21, 2026, 21:39:52 IST
Advertisement

পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং জালনোট পাচারে দোষী সাব্যস্তদের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন নগর দায়রা আদালতের বিচারক। দোষী সাব্যস্তদের মধ্যে একজন পাকিস্তানের নাগরিক, নাম মহম্মদ ইজাজ। বাকি তিনজন ভারতীয় নাগরিক আফসার আনসারি, শেখ বাদল ও মহম্মদ জাহাঙ্গীর। পাশাপাশি আর্থিক জরিমানাও ঘোষণা করেছেন বিচারক।

১০ বছর কারাদণ্ডের পর বাড়ি ফিরছে পাকিস্তানি গুপ্তচর (Representative Image)
১০ বছর কারাদণ্ডের পর বাড়ি ফিরছে পাকিস্তানি গুপ্তচর (Representative Image)

বৃহস্পতিবার কলকাতা নগর দায়রা আদালতের (বিচারভবন) মুখ্য বিচারক সুকুমার রায় তাদের দোষী সাব্যস্ত করেন। এরপর শুক্রবার আদালত ৪ অপরাধীর সাজা ঘোষণা করে। এরমধ্যে দোষী সাব্যস্ত শেখ বাদলকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানি নাগরিক মহম্মদ ইজাজ এবং আরও দু’জনকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ওই দু’জন হল আফসার আনসারি ও মহম্মদ জাহাঙ্গীর। কলকাতার নগর দায়রা আদালতের মুখ্য বিচারক সুকুমার রায় ওই আদেশ দিয়েছেন। বিচারক ওই সাজার সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জারিমানার আদেশ দেন। পাশাপাশি, বিচারক অন্যান্য অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক সাজা ঘোষণা করেন। তবে আদালতের মন্তব্য, সমস্ত সাজাই একসঙ্গে চলবে।

এরমধ্যেই সরকারি কৌঁসুলি দীপঙ্কর কুণ্ডু জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে ওই ৪ অপরাধী ১০ বছর জেলেই কাটিয়ে দিয়েছে। তাই সম্ভবত তারা শীঘ্রই জেল থেকে মুক্তি পাবে। পাশাপাশি, ওই পাক নাগরিককে সে দেশে ‘পুশ ব্যাক’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা বন্দরের ‘ক্ল্যাসিফায়েড’ অংশের ছবি পাক গুপ্তচর সংস্থার কাছে পাচার করা হচ্ছে, গোপন সূত্রে এখবর পান কলকাতা পুলিশের এসটিএফের গোয়েন্দারা। সেই খবর যাচাই করে ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে বন্দর এলাকা থেকে আফসার আনসারি ও তার বাবা ইরশাদ আনসারিকে গ্রেফতার করে। তারা দু’জনেই বন্দরে ঠিকা শ্রমিক হিসেবে কাজ করত। সেই সুবাদে সেখানকার নানা খুঁটিনাটি বিষয় তাদের জানা ছিল। এসটিএফের মতে, অপরাধ চক্রের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে আলাপ হয় পাক নাগরিক তথা আইএসআই এজেন্ট মহম্মদ ইজাজের। গোয়েন্দারা জানতে পারে, জাল নথি দিয়ে ওই পাকিস্তানি নাগরিক ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করেছিল। তারই মদতে আফসার বন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশের ছবি তোলে। সঙ্গে বন্দরের একটি মানচিত্রও বানায়। সে সময় ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ তৈরি হচ্ছিল বন্দরে। ছবি, মানচিত্রের সঙ্গে যুদ্ধ জাহাজের নকশাও পাকিস্তানে পাচার করে এই চক্র।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe