...
...
Next Story

Bankura: বেড না পেয়ে মাটিতে শুয়েই চিকিৎসা রোগীদের! মাঝরাতে হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক, তারপর...

Bankura: জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালের উপর শুধুমাত্র ইন্দাস বিধানসভার মানুষ নয়, পার্শ্ববর্তী কোতুলপুর ও পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষ বিধানসভার একাংশের মানুষও নির্ভরশীল। কিন্তু সেই হাসপাতালই এখন বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

Published on: Sep 7, 2026, 23:17:31 IST
Advertisement

Bankura: কেউ শুয়ে রয়েছেন মাটিতে। কেউ বা চাটাই পেতে বসে আছেন মাটিতে। তাঁরা সবাই রোগী। কিন্তু কেন মাটিতে এভাবে পড়ে রয়েছেন তাঁরা? কারণ হাসপাতালে বেড জোটেনি তাঁদের। হ্যাঁ, বাঁকুড়ার একটি সরকারি হাসপাতালে এমনই চিত্র সামনে এসেছে। আর গোটা বিষয়টি নিজের চোখে দেখলেন বিধায়ক।

মাটিতে শুয়েই চিকিৎসা রোগীদের! মাঝরাতে হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক (সৌজন্যে টুইটার)
মাটিতে শুয়েই চিকিৎসা রোগীদের! মাঝরাতে হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক (সৌজন্যে টুইটার)

ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসের ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। মাঝরাতে আচমকা সেখানে হানা দেন এলাকার স্থানীয় বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া। স্বাস্থ্য পরিষেবা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে খতিয়ে দেখেন পরিকাঠামোর হাল হকিকত। স্বাস্থ্য পরিষেবা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে খতিয়ে দেখেন পরিকাঠামোর হাল হকিকত। বেডের অভাবে বহু রোগীকে মেঝেতে শুয়ে থাকতে দেখে মুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সমস্যা সমাধানের আর্জিও জানিয়েছেন বিধায়ক। এমনকী যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল বানানোরও প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালের উপর শুধুমাত্র ইন্দাস বিধানসভার মানুষ নয়, পার্শ্ববর্তী কোতুলপুর ও পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষ বিধানসভার একাংশের মানুষও নির্ভরশীল। কিন্তু সেই হাসপাতালই এখন বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বেডের অভাবে বহু রোগীকে মেঝেতে শুয়ে থাকতে হচ্ছে। যা দেখামাত্রই হতাশা প্রকাশ করেন বিধায়ক। সূত্রের খবর, ইন্দাস হাসপাতালের এই অবস্থা দীর্ঘদিনের। তৃণমূল কংগ্রেস জমানায় বারবার হাসপাতালে পরিকাঠামোগত সমস্যার কথা প্রশাসনকে জানিয়েও কাজ হয়নি বলে দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এদিন পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের পরিষেবা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেছেন বিধায়ক। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। জানার চেষ্টা করেন, হাসপাতালের পরিষেবার হাল হকিকত। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিধায়ক জানান, হাসপাতালের পরিষেবার তেমনি খামতি নেই। কিন্তু হাসপাতালে বেডের অভাব রয়েছে। ফলে বহু রোগীকে মেঝেতে শুয়েই পরিষেবা নিতে হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য হাসপাতালটিকে গ্রামীণ হাসপাতাল অথবা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে রূপান্তরণের চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, 'অনেক রোগী বেড পায়নি। বেড সংখ্যা সীমিত। আমি এই কথা মুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য়মন্ত্রীকে বলেছি। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রচুর রোগী আসেন। তাই এই হাসপাতালকে আগামী দিনে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পরিণত করা যায়।'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks