বিজেপির নয়া সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন দায়িত্ব নেওয়ার পর দলে বড় ধরনের পরিবর্তনের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, অসম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরির আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নেতাদের পারফরম্যান্স কেমন হয়, সেটার ভিত্তিতে নীতীনের জাতীয় টিমে ঢোকার টিকিট মিলতে পারে। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতিমধ্যে অসমের জন্য এক ডজন জাতীয় স্তরের নেতার তালিকা তৈরি করে ফেলা হয়েছে। পুরো টিমকে রাজ্য নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বৈজয়ন্ত 'জয়' পান্ডা পরিচালনা করছেন। এই দলে রয়েছেন দিল্লির সাংসদ বাঁসুরি স্বরাজ, অনিল শর্মা ও পবন শর্মাররা। রাজ্যসভার সাংসদ দীপক প্রকাশ এবং জাতীয় সম্পাদক অলকা গুর্জরের মতো 'পরীক্ষিত' নেতাদেরও এই মিশনে যুক্ত করা হয়েছে। বিজেপি, আরএসএস এবং নয়াদিল্লির জাতীয় নেতৃত্বের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে এই দলটি। সেরকমভাবেই পশ্চিমবঙ্গ, তামিবনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরিতেও একই কাজ করা হবে।

এমনিতে সপ্তাহকয়েকের মধ্যেই চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন হবে। অসম এবং পুদুচেরিতে ক্ষমতায় আছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গ, কেরল এবং তামিলনাড়ুতে বিরোধী হিসেবে লড়াই করতে হবে। আর সেই মেগা বিধানসভা নির্বাচন দিয়েই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে নীতীনের যাত্রা শুরু হচ্ছে। ফলে সেটা নীতীনের কাছে প্রেস্টিজ ফাইটও হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে বিজেপি নেতাদের আরও উদ্বুদ্ধ করতেই নীতীন নয়া পদক্ষেপ করছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের।
উল্লেখ্য, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ফেব্রুয়ারিতেই বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) কাজ শেষ করতে কিছুটা দেরি হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও নির্ধারিত সময়েই পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন ভোটমুখী রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। আর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়ে গেলে বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকবে না।
সেই লক্ষ্যেই সাতদিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের শুনানি শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। শুক্রবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের বৈঠকে সেই নির্দেশ দিয়েছে। বৈঠকে হাজির ছিলেন বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত-সহ সব জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এবং ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা (ইআরও)।
{{/usCountry}}সেই লক্ষ্যেই সাতদিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের শুনানি শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। শুক্রবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের বৈঠকে সেই নির্দেশ দিয়েছে। বৈঠকে হাজির ছিলেন বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত-সহ সব জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এবং ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা (ইআরও)।
{{/usCountry}}সেই বৈঠকে হাজির এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নোটিশ জারি করার এবং নথি আপলোড করার জন্য সাতদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কমিশন। আগামী রবিবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে এসআইআরের নোটিশ জারি করতে হবে। আর পরবর্তী সাতদিনের মধ্যে নথি আপলোড করতে হবে কমিশনের সার্ভারে। আর যে ভোটারদের ইতিমধ্যে শুনানি হয়ে গিয়েছে, তাঁদের নথি আপলোড করতে হবে ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। কমিশনের তরফে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে ওই সময়সীমা মেনে চলতেই হবে। কারণ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক।