PM Modi speech in Kolkata: 'BJP-র উপরে মহিষাসুরমর্দিনীর আশীর্বাদ, ‘চুন-চুনকে হিসাব নেওয়া হবে', হুংকার মোদীর
বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ঠিক আগেই পশ্চিমবঙ্গে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি দাবি করেন, বাংলায় এখন আইন শাসনের নেই। কিন্তু আইনের শাসন শুরু হবে এবার। যে বা যারা আইন ভাঙবেন, তাকে বা তাদের চুন-চুনকে খুঁজে বের করা হবে।
পশ্চিমবঙ্গে এবার জঙ্গলরাজ শেষ হবে বলে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর তৃণমূল কংগ্রেসের ‘নির্মম সরকার’-কে উৎখাত করার জন্য বাংলা ও বাঙালি অস্মিতার উপরে জোর দিলেন। শনিবার ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজেপির সঙ্গে মহিষাসুরমর্দিনীর আশীর্বাদ আছে।’ সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, শ্রীরামকৃষ্ণ পরহংসদেব, স্বামী বিবেকানন্দ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবি, ঈশ্বরচন্দ্র, বাঘাযতীন, ক্ষুদিরাম বসু, রানি রাসমনির স্বপ্নের বাংলা গড়ে তুলবে বিজেপি।

মোদী আর কী কী বললেন?
১) মোদী: গতকাল তৃণমূল কংগ্রেস আপনাদের চোর বলে গালিগালাজ করেছে। কিন্তু আসল চোর কে, সেটা পশ্চিমবঙ্গের তামাম মানুষ খুব ভালোভাবেই জানেন।
২) মোদী: বাংলায় এখন আইন শাসনের নেই। কিন্তু আইনের শাসন শুরু হবে এবার। যে বা যারা আইন ভাঙবেন, তাকে বা তাদের চুন-চুনকে খুঁজে বের করা হবে।
৩) মোদী: তৃণমূল সরকার বাংলার যুবক-যুবতীদের কাছে অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলার যুবক-যুবতীরা অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং মেহনতি। একটা সময় সবার আগে ছিল বাংলা। কিন্তু এখন বাংলার যুবক-যুবতীরা রাজ্যে না ডিগ্রি পাচ্ছেন, না পাচ্ছেন চাকরি। অন্য রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে তাঁদের।
৪) মোদী: নির্মম তৃণমূল সরকার শুধুমাত্র নিজেদের পকেট ভরিয়েছে। পড়ে থেকেছে উন্নয়নর কাজ। প্রকাশ্যে চাকরি বিক্রি করেছে তৃণমূল সরকার। এবার পরিবর্তনের সময় এসেছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় কাজ পাবেন যুবক-যুবতীরা। সেই স্বপ্নপূরণের গ্যারান্টি দিচ্ছে মোদী।
৫) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ তোলেন মোদী। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস গেলেই সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প কার্যকর হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গে।
৬) তৃণমূল কংগ্রেস গেলে তবেই বাংলায় সুশাসন আসবে, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
৭) মোদী: অনেক আশা করে বামেদের সরিয়ে তৃণমূলকে ক্ষমতায় এনেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। বামেদের গুন্ডা-মাফিয়াদেরই নিজেদের দলে ভরতি করিয়ে নিয়েছে তৃণমূল।
সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী
রাজনৈতিক কর্মসূচির আগে শনিবার সরকারি মঞ্চ থেকে মোট ১৮,৬৮০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন করেছেন বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন ৪২০ কিলোমিটার মতো জাতীয় সড়ক প্রকল্পের (মূল্য ১৬,৯৯০ কোটি টাকা)। তাছাড়াও পুরুলিয়া-আনন্দ বিহার টার্মিনাল ট্রেন, 'অমৃত ভারত প্রকল্প'-র আওতায় নবরূপে সজ্জিত ছ'টি স্টেশন-সহ একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











