Howrah-Kharagpur Local Train: ‘হাওড়া-খড়্গপুর লাইনে লোকাল ট্রেন পরিষেবা ভালো হবে’, ২৯০৫ কোটি টাকার কাজে সংকেত
‘হাওড়া-খড়্গপুর লাইনে লোকাল ট্রেন পরিষেবা ভালো হবে’ - এমনই দাবি করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কারণ ২,৯০৫ কোটি টাকার প্রকল্পে অনুমোদন দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।
সাঁতরাগাছি-খড়্গপুর চতুর্থ লাইন প্রকল্পে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, সাঁতরাগাছি থেকে খড়্গপুরের মধ্যে ১১১ কিলোমিটার অংশে চতুর্থ লাইন প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হল। আপাতত কলকাতা থেকে খড়্গপুরের দিকে ইতিমধ্যে তিনটি লাইন আছে। এবার চতুর্থ লাইন তৈরি করা হচ্ছে। তার ফলে কলকাতা থেকে মুম্বই এবং চেন্নাই পর্যন্ত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে বলে দাবি করেছেন রেলমন্ত্রী। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, নয়া প্রকল্পের ফলে হাওড়া-খড়্গপুর লাইনের লোকাল ট্রেন পরিষেবাও আরও ভালো হবে।

‘মালগাড়ি লাইনে’ পরিণত হয়েছে হাওড়া-খড়্গপুর লাইন
যদিও আদৌও সেটা হবে কিনা, তা নিয়ে ধন্দে আছেন নিত্যযাত্রীরা। কারণ এই মুহূর্তে হাওড়া-খড়্গপুর লাইনে লোকাল ট্রেন পরিষেবা ভয়াবহ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে বলে অভিযোগ করেছেন নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের দাবি, লোকাল ট্রেন মারাত্মক লেটে চলাচল করে। এমনকী একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেনেরও সময়ের ঠিক থাকে না বলে অভিযোগ তুলেছেন যাত্রীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যাত্রী দাবি করেছেন, দক্ষিণ-পূর্ব রেল এই লাইনটাকে পুরো ‘মালগাড়ি লাইনে’ পরিণত করে দিয়েছে। মালগাড়ির ভারে ন্যুব্জ হয়ে যাওয়ায় লোকাল ট্রেনের চাপ সামলাতে পারছে না। তাই নিয়ম করে লোকাল ট্রেন লেট হচ্ছে। কখনও টিকিয়াপাড়া থেকে হাওড়ায় ট্রেন ঢুকতে এক ঘণ্টা থেকে দেড় ঘণ্টা লাগিয়ে দিচ্ছে। চতুর্থ লাইন চালু হলেও লোকাল ট্রেনের হাল কতটা ফিরবে, তা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ওই নিত্যযাত্রী।
আরও বাড়বে লোকাল বা এক্সপ্রেস ট্রেন
তারইমধ্যে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে বছরপাঁচেকের মধ্যে চতুর্থ লাইনের কাজ শেষ হয়ে যাবে। আর নয়া লাইনের ফলে ওই রুটে কমপক্ষে ৫০টি নয়া ট্রেন পরিষেবা চালু করা যাবে। সেটা লোকাল ট্রেন হতে পারে। আবার মেল বা এক্সপ্রেস ট্রেনও হতে পারে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।
সাঁতরাগাছি-খড়্গপুর চতুর্থ লাইন প্রকল্প
১) মোট প্রকল্পের দৈর্ঘ্য: ১১১ কিলোমিটার।
২) আনুমানিক ব্যয়: ২,৯০৫ কোটি টাকা
৩) আনুমানিক সময়: ওই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পাঁচ বছর মতো লাগবে।
৪) ওই প্রকল্পের আওতায় আছে হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা।
৫) এক মেগা ব্রিজ আছে। বড় ব্রিজের সংখ্যা ১৫। ছোটখাটো ১০০টি ব্রিজ থাকছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











