T20 World Cup Trophy at Hanuman Temple: 'হনুমান মন্দিরে T20 বিশ্বকাপ ট্রফি কেন? সূর্যের পরিবার..', বিস্ফোরক তৃণমূল সাংসদ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরই ট্রফি নিয়ে হনুমান মন্দিরে যান সূর্যকুমার যাদব ও গৌতম গম্ভীর। তা নিয়ে চরম উষ্মাপ্রকাশ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ। কেন মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হবে ট্রফি? প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল সাংসদ।
কেন হনুমান মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি? তা নিয়ে তুমুল উষ্মাপ্রকাশ করলেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কীর্তি আজাদ। তিনি প্রশ্ন তুললেন, মহম্মদ সিরাজ তো মসজিদে কিংবা সঞ্জু স্যামসন তো চার্চে নিয়ে যাননি বিশ্বকাপ ট্রফি। তাহলে কেন সেই বিশ্বকাপ ট্রফিকে হনুমান মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ। শুধু তাই নয়, সেই রেশ ধরে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং আইসিসির প্রধান তথা ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলে জয় শাহের পরিবারকেও টেনে এনেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার।

‘টিম ইন্ডিয়ার লজ্জা লাগা উচিত’, তোপ তৃণমূল সাংসদের
সোমবার তৃণমূল সাংসদ বলেন, 'টিম ইন্ডিয়ার লজ্জা লাগা উচিত। ১৯৮৩ সালে যখন আমরা কপিল দেবের নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জিতেছিলাম, তখন আমাদের দলে হিন্দু, মুসলিম, শিখ এবং খ্রিস্টান ছিলেন। আমাদের ধর্মীয় জন্মভূমি, আমাদের মাতৃভূমি, ভারত, হিন্দুস্তানে নিয়ে এসেছিলাম ট্রফি। কেন ভারতীয় ক্রিকেট ট্রফিকে (এসবের মধ্যে) টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে? কেন মসজিদ নয়? কেন গির্জা নয়? কেন গুরুদোয়ারা নয়?'
'সিরাজ মসজিদে বা সঞ্জু চার্চে নিয়ে যাননি ট্রফি'
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই দলটি ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে - সূর্যকুমার যাদব বা জয় শাহের পরিবারের নয়! সিরাজ কখনও মসজিদে প্যারেড করেনি (পড়ুন ট্রফি নিয়ে যায়নি)। সঞ্জু কখনও চার্চে (ট্রফি) নিয়ে যায়নি। সঞ্জু তো (বিশ্বকাপ জয়ে) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছে। (বিশ্বকাপ) ট্রফি ১৪০ কোটি ভারতীয়ের, প্রতিটি ধর্মের মানুষের - কোনও ধর্মের নয়।’

বিশ্বকাপ জয়ের পরই হনুমান মন্দিরে আশীর্বাদ নিতে যান সূর্যরা
আর তৃণমূল সাংসদ সেই মন্তব্য করেছেন বিশ্বকাপ জয়ের কয়েক ঘণ্টা পরেই ট্রফি নিয়ে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার, হেড কোচ গৌতম গম্ভীর এবং আইসিসি চেয়ারম্যান হনুমান মন্দিরে যাওয়ার প্রেক্ষিতে। রবিবার গুজরাটের আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে তৃতীয়বারের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নেয় ভারত। তারপরই তাঁরা মন্দিরে আশীর্বাদ নিতে যান। কিন্তু তা নিয়ে তুমুল উষ্মাপ্রকাশ করা হতে থাকে একটি মহলের তরফে। তাতে সামিল হন তৃণমূল সাংসদও। যদিও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











