Gambhir on Indian team atmosphere: 'অধিকাংশ খেলোয়াড় খুশি না হলে কোচ থাকার মানে নেই', বিস্ফোরক গম্ভীর, চটলেন কেন?
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরে হারিয়ে ভারত যখন উৎসবে মত্ত, ঠিক তখনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন হেড কোচ গৌতম গম্ভীর। দলের নির্বাচন নিয়েও মুখ খোলেন গম্ভীর। কীসের ভিত্তিতে দলের খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া হয়, তা নিয়ে মুখ খুললেন।
ঐতিহাসিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরে হারিয়ে ভারত যখন উৎসবে মত্ত, ঠিক তখনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন হেড কোচ গৌতম গম্ভীর। সাধারণত গম্ভীরকে সোজাসাপ্টা কথা বলতেই অভ্যস্ত ক্রিকেট বিশ্ব। কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ের ঠিক পরদিনই তাঁর এই ‘রাগী’ অবতার দেখে অনেকেই অবাক। ঠিক কী কারণে চটলেন গম্ভীর? সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে'তে গম্ভীর বলেন, ‘আমার দর্শন সহজ - যদি দলের বেশিরভাগ সদস্য আমার উপর খুশি না হয়, তাহলে আমার ওই ড্রেসিংরুমে থাকার কোনও মানে হয় না। দলের যদি অধিকাংশ সদস্য আমার উপরে খুশি থাকে, তাহলে আমি সঠিক কাজ করছি। আপনি সত্যি বাস্তব প্রতিবেদন তুলে ধরেন, তাহলে আপনি জানতে পারবেন যে দলের পরিবেশ কেমন। ভারতীয় দলের পরিবেশ কেমন আছে, সেটা কারও থেকে লুকিয়ে রাখা যায় না। কারণ এত স্ক্রুটিনি, এত লাইমলাইট এবং সংবাদমাধ্যমের এত নজর থাকে যে (সেটা হয় না)।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এসব বেকার কথা বলা হয় যে দলের পরিবেশ ভালো নয়।’

‘যদি বিশ্বাস ও আস্থার উপরে নির্ভর করে কাউকে বেছে নেন……..’
সেইসঙ্গে দলের নির্বাচন নিয়েও মুখ খোলেন গম্ভীর। ওই সাক্ষাৎকারে ভারতীয় দলের হেড কোচ বলেন, 'দেখুন, আপনি খেলোয়াড়দের বেছে নেন আস্থা ও বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে, আশার উপরে ভিত্তি করে নয়। যদি আপনি বিশ্বাস ও আস্থার উপরে ভিত্তি করে কাউকে বেছে নেন, তাহলে চার-পাঁচটি ম্যাচের পর তা কেড়ে নিতে পারবেন না। কিন্তু যদি আপনি কেবল আশার উপর ভিত্তি করে কাউকে বেছে নেন, তাহলে তুমি খুব দ্রুত সেই আশা হারিয়ে ফেলতে পারেন।'
'অভিষেক হোক বা অন্য কেউ- সকলের উপরেই আস্থা রাখি'
গম্ভীর আরও বলেন, ‘অভিষেক হোক বা ড্রেসিংরুমের ১৫ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে যে কেউ হোক না, আমরা তাদের সকলের উপর আস্থা রাখি। টুর্নামেন্টের যে কোনও পর্যায়ে যখনই তারা সুযোগ পাবে, তারা দলের জন্য ভালো করবে। এই দলের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নিজেদের থেকে দলকে এগিয়ে রাখা।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











