Ex-Pakistan player on T20 World Cup: এটা কৌশল? ভারত T20 বিশ্বকাপ জিততেই NZ-র উপরে খেপে লাল প্রাক্তন পাকিস্তানি তারকা
এটা কৌশল? ভারত তৃতীয়বারের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততেই নিউজিল্যান্ডের উপরে খেপে লাল হয়ে গেলেন প্রাক্তন পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটার। কথা শোনালেন কিউয়ি অধিনায়ককে। সেইসঙ্গে দাবি করলেন যে ক্রিকেটের পুরনো প্রবাদ পালটে গিয়েছে।
নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে গুঁড়িয়ে তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে ভারত। আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই মেগা ফাইনালে কিউয়িদের পারফরম্যান্স নিয়ে এখন কাটাছেঁড়া চলছে বিশ্বজুড়ে। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারের কয়েকটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা বোলার মহম্মদ আমির। যিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে ভারত এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেই উঠবে না।

আমিরের ভবিষ্যদ্বাণী ও ভারতের দাপট
আমির ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠলেও ভারত পারবে না। কিন্তু ফাইনালে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারত যেভাবে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ম্যাচে পর্যুদস্ত করেছে, তাতে আমিরের সেই দাবি ধোপে টেকেনি। ভারতের দেওয়া ২৫৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন-আপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। কার্যত কিউয়িদের ব্যাটিংয়ের প্রথম ছয় ওভারেই নিশ্চিত হয়ে যায় ভারতের জয়।
স্যান্টনারের কোন ভুলে চটেছেন আমির?
সেই আবহে পাকিস্তানের একটি টিভি শো ‘হারনা মানা হ্যা’-তে আলোচনা চলাকালীন আমির স্যান্টনারের বোলিং পরিবর্তন এবং রণকৌশল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মা যখন ক্রিজে ছিলেন, তখন স্যান্টনারের উচিত ছিল স্পিন আক্রমণ শানানো। কারণ অভিষেক স্পিনের বিরুদ্ধে কিছুটা নড়বড়ে। কিন্তু স্যান্টনার তাঁকে আউট করার জন্য জ্যাকব ডাফিকে নিয়ে আসেন, যা আমিরের মতে ছিল এক চরম 'কৌশলগত ভুল'।
আমির বলেন, ‘আমি নিউজিল্যান্ডের বোলিং পরিবর্তনের ধরন একদমই বুঝতে পারিনি। আপনারা জানেন অভিষেক শর্মা স্পিনারদের বিরুদ্ধে সমস্যায় পড়েন, সেখানে ডাফিকে নিয়ে আসার কোনও অর্থ হয় না। কিউয়ি বোলাররা সমানে ওয়াইড বল করছিল এবং সেই বলগুলোতেই ছক্কা খাচ্ছিল।’ আমির আরও যোগ করেন যে, ২০০৫ সাল থেকে তিনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটকে অনুসরণ করছেন। কিন্তু কোনও বড় ম্যাচে কিউইদের এতটা চাপে থাকতে তিনি আগে কখনও দেখেননি।
ব্যাটিং শক্তির জয়জয়কার
সেইসঙ্গে ভারতীয় ব্যাটারদের ‘ক্রেডিট’ দেন আমির। সাধারণত বলা হয় ‘বোলাররা টুর্নামেন্ট জেতায়’। কিন্তু ভারতের ব্যাটিং লাইন-আপ এই প্রবাদকে ভুল প্রমাণিত করেছে বলে মনে করেন আমির। সেমিফাইনাল এবং ফাইনালে ভারত যেভাবে ২৫০-এর বেশি রান স্কোরবোর্ডে তুলেছে, তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, শিবম দুবে এবং ইশান কিষানদের বিধ্বংসী ব্যাটিং নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











