Haldia Floating LNG Terminal Update: হলদিয়ায় ভাসমান LNG টার্মিনাল! ২৬০ কোটি টাকার চুক্তি কলকাতা বন্দরের, কী লাভ হবে?
হলদিয়ায় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল তৈরির জন্য ২৬০ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করল কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সে শালুকখালিতে ‘ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট’ বা ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল তৈরি করা হবে।
পূর্ব ভারতের জ্বালানি পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে এক বড়সড় পদক্ষেপ করল কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সে শালুকখালিতে ‘ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট’ বা ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল গড়ে তোলার জন্য ২৬০ কোটি টাকার একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত করা হয়েছে। দিনতিনেক আগে বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং ‘ইস্ট হরাইজন প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থার মধ্যে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।
পরিবেশবান্ধব জ্বালানির পথে এক ধাপ
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল ভারতের পূর্বাঞ্চলে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি-র সরবরাহ বৃদ্ধি করা। বর্তমানে পরিবেশ দূষণ কমাতে কেন্দ্রী. সরকার কয়লা বা পেট্রোলের বদলে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে। হলদিয়ায় এই নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালু হলে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি করা, তা মজুত রাখা এবং পুনরায় গ্যাসে রূপান্তরিত করে সরবরাহ করা অনেক সহজ হবে। যা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক মানচিত্রে বড় প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
বিষয়টি নিয়ে কলকাতা তথা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের চেয়ারম্যান রথেন্দ্র রমন এই চুক্তি প্রসঙ্গে বলেন, ‘হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সে এই ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল গড়ে তোলার বিষয়টি পূর্ব ভারতের এলএনজি পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়বে এবং আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও সুনিশ্চিত হবে। পাশাপাশি টেকসই শিল্প উন্নয়নেও এই বন্দর বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।’
অর্থনৈতিক ও শিল্প সম্ভাবনা
বিশেষজ্ঞদের মতে, হলদিয়া বন্দরে এই ব্যবস্থা চালু হলে স্থানীয় শিল্পগুলিতে কম খরচে এবং কম দূষণকারী জ্বালানি পৌঁছানো সম্ভব হবে। এটি কেবল জাহাজ চলাচল বা বন্দর কেন্দ্রিক ব্যবসার উন্নতি ঘটাবে না, বরং পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চলেও উন্নয়নের নতুন জোয়ার আনবে। ভারত সরকারের লক্ষ্য হল ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট শক্তি ব্যবহারের অন্তত ১৫ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে সংগ্রহ করা। হলদিয়ার এই ২৬০ কোটি টাকার প্রকল্প সেই লক্ষ্যপূরণেই এক বড় সহায়ক হয়ে উঠবে।
প্রকল্পটির কাজ দ্রুত শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ রক্ষায় এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে বলে আশাপ্রকাশ করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











