WB Teachers' 5th Pay commission DA: 'শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া DA দেবে না রাজ্য', প্রকাশ্যে রিপোর্ট, এবার কী হবে?
‘শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) দেবে না রাজ্য সরকার’। প্রকাশ্যে এল নয়া রিপোর্ট। সেটার প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষকরা কী বলছেন? এমনিতেই ডিএ মামলায় আদালতে গিয়েছে রাজ্য।
বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) প্রদানের জন্য আরও সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। আর সেই আবহে নয়া একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শিক্ষকরা দাবি করেছেন, রাজ্য সরকারের তরফে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার যে হিসাব পেশ করা হয়েছে, তাতে শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করা হয়নি। সেই হিসাব থেকেই স্পষ্ট যে রাজ্য সরকার শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেবে না। আর তার বিরুদ্ধে রাজ্যের বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকরা।

জোরদার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শিক্ষক সমাজের
বিষয়টি নিয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, ‘এই হিসাব বলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী রাজ্য সরকার শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেবে না। এর ফলে শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী সমাজের ক্ষোভের আগুন ব্যাপকভাবে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাবে। রাজ্য সরকার তাদের অবস্থান বদলাক। না হলে আইনি লড়াই এবং রাস্তার লড়াই আরও তীব্রতর হবে।’
শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ প্রদান সংক্রান্ত যে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, তাতে জানানো হয়েছে যে ওই সময়ের মধ্যে মোট সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা হল ৩,১৭,৯৫৪ জন। একইভাবে বছর ধরে-ধরে পেনশনভোগীর সংখ্যা কত, তা প্রকাশ করা হয়েছে স্টেটাস রিপোর্টে। কিন্তু শিক্ষক বা শিক্ষাকর্মীদের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংখ্যা
১) গ্রুপ 'এ' কর্মী: ৫২,১৩০
২) গ্রুপ 'বি' কর্মী: ৯৮,০২৭
৩) গ্রুপ 'সি' কর্মী: ১,১০,০১৮
৪) গ্রুপ 'ডি' কর্মী: ৫৭,৭৭৯
৫) মোট কর্মী: ৩,১৭,৯৫৪
বকেয়া ডিএ মামলায় রাজ্যের সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি
এমনিতে রাজ্য সরকার বকেয়া ডিএ মামলার রায়ের প্রেক্ষিতে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। রাজ্য সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তা বাস্তবায়নের জন্য আরও সময় প্রয়োজন হবে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে একাধিক জটিলতা আছে। তাই আরও সময় লাগবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে যুক্তি পেশ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, LPG বুকিংয়ের নয়া নিয়মের প্রতিবাদে পথে মমতা, হাতে হাতা-খুন্তি
আর রাজ্যের সেই আবেদনের পরই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। ইতিমধ্যে আগামী ১৩ মার্চ তাঁরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। সেই কর্মসূচি আরও জোরদারভাবে পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











