Mamata Banerjee vs Election Commission: 'বহুত থ্রেট দিয়েছেন, দুঃসাহস ভালো নয়', জ্ঞানেশকে তোপ মমতার, বললেন ভ্যানিশ পাউডার
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম ভারতের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার - বিধানসভা নির্বাচনের আগে সম্পূর্ণ আলাদা এক লড়াই যেন হচ্ছে। আপাতত যা খবর, তাতে আগামী ১৫ মার্চ বা ১৬ মার্চ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হতে পারে।
রাজ্য প্রশাসনকে সতর্কবার্তা মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার, পালটা পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী - সোমবার দিনভর দু'জনের মধ্যে পরোক্ষভাবে কথার যুদ্ধ চলল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের যে ফুল বেঞ্চ এসেছে, তাতে আছেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও। সূত্রের খবর, রাজ্যের অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। রীতিমতো ‘সতর্কবার্তা’ দিয়ে পুলিশ ও প্রশাসনকে বলা হয়েছে যে ভোটের সময় কোনওরকম রাজনৈতিক হিংসা বা গন্ডগোল বরদাস্ত করা হবে না। যদি কোনও অফিসার ঠিকমতো নিজের দায়িত্ব পালন না করেন, তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকী নজরদারি চলবে ভোটের পরেও। আর তার পালটা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছন, তিনি জানতে পেরেছেন যে সোমবার বৈঠকে অফিসারদের 'বহুত থ্রেট' দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার। ভ্যানিশ পাউডার নাকি বলেছেন যে মে'র পরেও অ্যাকশন নেবেন। সেই রেশ ধরে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারকে 'পরামর্শ' দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে সাহস থাকা অবশ্যই ভালো। কিন্তু দুঃসাহস ভালো নয়।

‘পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পরিবেশ নেই’, বিরোধীদের দাবি মানল না কমিশন
আর সেই কথার যুদ্ধের মধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিরোধীরা অভিযোগ করে যে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের উপযুক্ত পরিবেশ নেই। আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। যদিও কমিশন তা মানতে চায়নি। কমিশনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে রাজ্যের ভোটের পরিবেশ আছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে সমস্যা আছে। কিন্তু তা বলে আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, সেটা মোটেও নয়।
কত দফায় ভোটের প্রস্তাব পশ্চিমবঙ্গে?
তারইমধ্যে আপাতত যা খবর, তাতে আগামী ১৫ মার্চ বা ১৬ মার্চ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হতে পারে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এক বা দু'দফায় পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন করার আর্জি জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তবে শেষপর্যন্ত কত দফায় ভোট হবে, তা বোঝা যাবে নির্ঘণ্ট ঘোষণার সময়।
কমিশনের হাতে বেশি সময় নেই
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আটটি দফায়। এবার অত দফায় ভোট হওয়ার কার্যত কোনও সম্ভাবনা নেই। কারণ গতবার এতদিনে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল। এবার এখনও সেটা হয়নি। ফলে ভোটগ্রহণ, ফলপ্রকাশের জন্য বেশি সময় পড়ে নেই কমিশনের হাতে। বিধানসভার মেয়াদও শেষ হয়ে যাচ্ছে মে'র প্রথম সপ্তাহে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper











