...
...
Next Story

একজনের দায়িত্ব অস্ত্র সংগ্রহ, অন্যজনের বাংলাদেশে পাচার! পুলিশের জালে বনগাঁর দুই অস্ত্র ব্যবসায়ী

Cross-border arms dealers arrested: পুলিশ সূত্রে খবর, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে অস্ত্রপাচারের অভিযোগ যাতে না আসে তা নিয়ে সতর্ক পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অস্ত্র কারবারিদের ডেরায় বৃহস্পতিবার হানা দেয় বনগাঁ থানার পুলিশ। সেখান থেকে শহিদুল মণ্ডল এবং অনুপ খাঁকে গ্রেফতার হয়।

Published on: Aug 13, 2026, 23:00:48 IST
Advertisement

Cross-border arms dealers arrested: বাংলাদেশে পালানোর আগেই এসটিএফের (STF) হাতে গ্রেফতার হয় পাক চর রানা রউফ। এই খবর সামনে আসতেই সীমান্ত শহর বনগাঁয় নিরাপত্তা আরও আঁটোসাটো করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় চালানো হচ্ছে তল্লাশি। সেই অভিযান চলাকালীনই দুই অস্ত্র কারবারিকে গ্রেফতার করল বনগাঁ (Bongaon) থানার পুলিশ। ধৃত দুজনের নাম শহিদুল মণ্ডল এবং অনুপ খাঁ। ধৃত ব্যবসায়ীরা ছাড়া এই অস্ত্র কারবারের চক্রে আর কারা জড়িত সেটার অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশের জালে বনগাঁর দুই অস্ত্র ব্যবসায়ী (HT_PRINT)
পুলিশের জালে বনগাঁর দুই অস্ত্র ব্যবসায়ী (HT_PRINT)

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বাংলাদেশে অস্ত্র পাচারের পরিকল্পনা ছিল। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই হামিম মণ্ডলের মতো জঙ্গি ধরা পড়েছে। তার উপর পাকিস্তানের নাগরিক যে গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে জড়িত সেও ধরা পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে। তাই এই অস্ত্র পাচারের ঘটনাকে ছোট করে দেখছে না পুলিশ। এদিকে, মাঝে আর একটা দিন। তারপরই স্বাধীনতা দিবসে মেতে উঠবে গোটা দেশ। রাজ্যেও এবার তা আরও ধুমধাম করে পালিত হবে। কারণ নতুন সরকার এসেছে পশ্চিমবঙ্গে। সুতরাং কোনও রকম খারাপ ঘটনা ঘটুক তা চাইছে না নতুন বিজেপি সরকার। তাই সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে টহলদারিও। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ফাঁক রাখা হচ্ছে না।

পুলিশ সূত্রে খবর, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে অস্ত্রপাচারের অভিযোগ যাতে না আসে তা নিয়ে সতর্ক পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অস্ত্র কারবারিদের ডেরায় বৃহস্পতিবার হানা দেয় বনগাঁ থানার পুলিশ। সেখান থেকে শহিদুল মণ্ডল এবং অনুপ খাঁকে গ্রেফতার হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় অস্ত্রশস্ত্র, কার্তুজ। শহিদুলের বাড়ি বনগাঁ থানার বাজিতলা এলাকায়। আর ফুলতলা কলম এলাকায় বাড়ি অনুপের। শহিদুলদের ডেরায় হানা দিয়ে পুলিশ উদ্ধার করেছে ৯ এমএম পিস্তল এবং দু’টি ম্যাগাজিন। সূত্রের খবর, ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে শহিদুল অস্ত্র আমদানি করে গোপন আস্তানায় নিয়ে গিয়ে মজুত করত। আর অনুপের দায়িত্ব ছিল তা পাচার করা। বাংলাদেশ-সহ নানা জায়গায় দুষ্কৃতীদের হাতে পৌঁছে যেত এই সব অস্ত্রশস্ত্র। বিনিময়ে মিলত মোটা টাকা। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশি এক দুষ্কৃতীকে অস্ত্র বিক্রি করেছিল অনুপ।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe