Suvendu on Mamata-Abhishek: মমতার ৩৩০ কোটি টাকার রহস্য ফাঁস শুভেন্দুর, পিসি-ভাইপোর বাইরে থাকার কারণও বললেন
Suvendu on Mamata-Abhishek: পুলিশ নিরপেক্ষ বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আপাতত বাইরে আছেন বলে দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেইসঙ্গে ৩৩০ কোটি টাকার রহস্য ফাঁসও করলেন তিনি।
Suvendu on Mamata-Abhishek: পুলিশ নিরপেক্ষ, সেই কারণেই মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও বাইরে আছেন। দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই রেশ ধরে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোথায় ৩৩০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন, সেটার খুঁটিনাটি তথ্য আছে তাঁর আছে। এমনকী মমতার স্বাক্ষরও আছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, যিনি ‘পিসি ও ভাইপোর দুর্নীতি’ চরমে উঠেছিল।

সোমবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ নিরপেক্ষ বলেই তো ওঁর এবং ওঁর ভাইপো বাইরে আছেন। পুলিশ নিরপেক্ষ। পুলিশকে তো পদক্ষেপ করতে হবে। আমাদের কাছে তো নথি আছে। বিশ্বজিৎ বসু কমিশনকে আমি পাঠিয়ে দেব। উনি ৩৩০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন ফিকিকে বিজিএসের জন্য। ওঁর স্বাক্ষর আছে আমার কাছে। সব তো যাবে।’
পুলিশ নিরপেক্ষ বলেই জেলের বাইরে ভাইপো, কটাক্ষ শুভেন্দুর
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘HRBC-তে তো (কমিশনের কাজ) চালু হয়ে গিয়েছে। জয়রামনজি এবং বিশ্বজিৎ বসুদের যে দুর্নীতি-বিরোধী শাখা আছে, তা কাজ শুরু হয়েছে। উনি বিধানসভায় আইন এনে ঠিক করে দিয়েছিলেন যে মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের আওতায় আসবেন না। আমি আইনও খতম করে দেব। তদন্তের আওতায় আসবেন মুখ্যমন্ত্রীও। পুলিশ নিরপেক্ষ আছে। তাই উনি ফেসবুক লাইভ করছেন। পুলিশ নিরপেক্ষ আছে। তাই ওঁর ভাইপো জেলের বাইরে ঘুরছেন।’
পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ মমতার
আর শুভেন্দু সেই মন্তব্য করেছেন পুলিশের বিরুদ্ধে মমতা অভিযোগ তোলার পরে। মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠকের কিছুক্ষণ আগেই ফেসবুক লাইভে মমতা বলেন, ‘তৃণমূল কর্মীদের কেস দিচ্ছে পুলিশ, এসপি জেলা প্রেসিডেন্টের কাজ করছে আর আইসি ব্লক প্রেসিডেন্টের কাজ করছে। ১২ থেকে ১৪ হাজার মানুষের উপর কেস দিচ্ছেন। কিছু গদ্দার, লুটেরা বাহিনীকে নিয়ে ফোন করে বলা হচ্ছে বিজেপি করুন।’
'তাঁবেদারি করে কত পুরস্কার পাবেন?', আক্রমণ মমতার
মমতা আরও বলেন, ‘যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার, অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তাঁদের নাম নিন। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। আপনাদের সঙ্গে আমি ছিলাম, আছি এবং থাকব। আমায় মিটিংয়ের অনুমতি দেয় না বিজেপি। যাঁরা ভাবছেন অনুমতি না দিলে আমি সন্ন্যাস গ্রহণ করব, তাঁরা ভুল ভাবছেন। বিজেপিকে সন্ন্যাসে না পাঠানো পর্যন্ত আমাদের লড়াই থামবে না। পুলিশ ডেকে বলছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল করা যাবে না, মার্ডার, গাঁজা কেস দেওয়া হচ্ছে। বাইরে চলে যেতে বলা হচ্ছে। গ্রেফতারির পর কেস লিখছে, তাঁবেদারি করে কত পুরস্কার পাবেন? আমরাও নামগুলো নোট করছি। আজ নয়, কাল বন্ধু দেখা তো হবেই।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


