...
...
Next Story

Police Probe in Messi GOAT Tour Fiasco: মেসির সফরে বিশৃঙ্খলা কাণ্ডে এবার আয়োজক শতদ্রুর বিলাসবহুল বাড়িতে হানা পুলিশের

শতদ্রুর বাড়িতে এবার অভিযান চালাল পুলিশ। জানা যায়, মহিলা পুলিশকর্মী-সহ পাঁচজন আধিকারিক আজ যান রিষড়ার বাঙুর পার্কে শতদ্রুর বাড়িতে। তাঁর এই বাড়িতে তিনতলা বাড়িতে সুইমিং পুল, ফুটবল মাঠ আছে।

Published on: Dec 19, 2025, 11:27:10 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

লিওনেল মেসির গোট ট্যুর ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল। এই আবহে সেই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল শতদ্রু দত্তকে। বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই শতদ্রুর বাড়িতে এবার অভিযান চালাল পুলিশ। জানা যায়, মহিলা পুলিশকর্মী-সহ পাঁচজন আধিকারিক আজ যান রিষড়ার বাঙুর পার্কে শতদ্রুর বাড়িতে। তাঁর এই বাড়িতে তিনতলা বাড়িতে সুইমিং পুল, ফুটবল মাঠ আছে।

শতদ্রুর বাড়িতে অভিযান চালাল পুলিশ। (ফাইল)
শতদ্রুর বাড়িতে অভিযান চালাল পুলিশ। (ফাইল)

বর্তমানে শতদ্রুর বাড়িতে পরিচারিকা ছাড়া কেউ নেই। শতদ্রুর স্ত্রী, সন্তান সেখানে নেই। এরই মাঝে স্থানীয় থানার মদতে শতদ্রুর বাড়িতে প্রবেশ করেন তদন্তকারীরা। সেখানে শতদ্রুর বিলাসবহুল বাড়ির ঘরে ঘরে তল্লাশি চালান অফিসাররা। এদিকে শুক্রবার সকালেই যুবভারতী কাণ্ডে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মেসি ট্যুরে চরম বিশৃঙ্খলা কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। যদিও এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। তবে সরকারি কাজে বাধা ও সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার পাশাপাশি হিংসার অভিযোগেও দায়ের হয়েছে মামলা। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আটটি ধারা, এমপিও আইন এবং সরকারি সম্পত্তি ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধ আইন সহ মোট ১০টি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনায় শুরু হয়ে যায় রাজনৈতিক তরজা। বিমানবন্দর থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল এই অনুষ্ঠানের আয়োজক শতদ্রু দত্তকে। তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায় আদালতে। আপাতত তিনি পুলিশি হেফাজতে আছেন।

উল্লেখ্য, ১৩ ডিসেম্বর সল্টলেক স্টেডিয়ামে মেসির ট্যুর ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। মেসি প্রায় ২০ মিনিট মাঠে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে ঘিরে ছিলেন প্রায় ৮০ জনের মতো মানুষ। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ছাড়াও পুলিশের বড় বলয় ছিল সেখানে। এবং এই সবের জেরে হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কাটা সাধারণ মানুষ মেসিকে দেখতে পাননি। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তকে সবাইকে মেসির পাশ থেকে সরে যেতেও বলা হয়। তবে কেউ কথা শোনেনি। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস মেসিকে জড়িয়ে ধরে ছবি তোলাতে ব্যস্ত ছিলেন। এবং বাকিরাও মেসির পাশেপাশেই ঘুরঘুর করছিলেন। এতে একটা সময় ধৈর্য হারিয়ে দর্শকরা 'বু' করতে শুরু করেন। যে মাঠে বোতল নিয়ে ঢোকার অনুমতি ছিল না, সেখানেই ২০ টাকার বোতল ১৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়। সেই বোতলই উড়ে যায় মাঠে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই মেসিকে টানেল দিয়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় মাঠ থেকে। তারপর রেলিংয়ের গেটে তালা ভেঙে জনতা ঢুকে পড়ে মাঠে। গ্যালারি থেকে বাকেট সিট ভেঙে তা মাঠে ফেলা হয়। ছেঁড়া হয় ফ্লেক্স। এমনকী ভিআইপিদের জন্য মাঠের পাশে রাখা চেয়ারে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয় দর্শকদের। পুলিশ লাঠিচার্জ করে দর্শকদের মাঠ থেকে সরানোর চেষ্টা করে। এরই মাঝে অনেক দর্শক বারপোস্টের জাল কেটে 'স্মৃতিচিহ্ন' সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তারপর দেখা যায় কেউ চেয়ার নিয়ে যাচ্ছেন তো কেউ কার্পেট কাঁধে নিয়ে যাচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সময় সল্টলেক স্টেডিয়ামের দিকেই যাচ্ছিলেন। তবে মেসি মাঠ ছাড়ার পর তিনি আর স্টেডিয়ামে যাননি। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি মেসির কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। এই গোটা চিত্রে আন্তর্জাতিক স্তরে মুখ পুড়েছে বাংলার।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe