Sarsuna Incident Accused Paraded: উলঙ্গ করে প্রেমিক, বাবাকে ঘুরিয়েছিল; প্রেমিকার বাবা-মামাকে খালি পায়ে ঘোরাল পুলিশ
Sarsuna Incident Accused Paraded: সরশুনায় খালি পায়ে ও খালি গায়ে ঘোরানো হল প্রেমিকার বাবা ও মামাকে। সরশুনায় প্রেমিক, তাঁর বাবা এবং তাঁর বন্ধুকে উলঙ্গ করে ঘোরানো হয়েছিল। প্রেমিকার বাবা, মামা এবং পড়শিকে আজ ঘোরানো হল।
Sarsuna Incident Accused Paraded: সরশুনা-কাণ্ডের তিন অভিযুক্তের কোমরে দড়ি বেঁধে খালি পায়ে ঘোরাল পুলিশ। গায়েও কোনও জামা ছিল না। স্রেফ হাফপ্যান্ট পরিয়ে কিশোরীর বাবা, মামা-সহ তিনজনকে ঘোরানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার সকালে ঘটনার পুনর্নিমাণ করতে তিনজন ধৃতকে (বাবা প্রদীপ সরকার, মামা রাহুল বর্মন ওরফে ভুলু এবং পড়শি শংকর সাউ) এলাকায় আনা হয়। সেইসময় কোমরে দড়ি বেঁধে খালি পায়ে এবং খালি পায়ে ঘোরানো হয় তিনজনকে। যা দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ‘কর্মফল’ পেল অভিযুক্তরা।

সরশুনায় ঘটনায় লজ্জায় হেঁট হয়েছিল মাথা
সেই অভিযুক্তরা যে ‘কর্ম’ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে, তাতে শিউরে উঠেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। লজ্জায় হেঁট হয়ে গিয়েছিল মাথা। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, গত রবিবার বেহালার সরশুনা এলাকার এক তরুণ এবং কিশোরী একান্তে বসে গল্প করছিলেন। তা দেখে ফেলেছিলেন কিশোরীর পরিবারের এক সদস্য।
মধ্যযুগীয় বর্বরতা ও সালিশি সভা বসানোর অভিযোগ নাবালিকার পরিবারের বিরুদ্ধে
আর সেই ‘অপরাধে’ তরুণ, তাঁর বাবা ও তাঁর বন্ধুকে নগ্ন করে রাস্তায় হাঁটানো হয়। অভিযোগ উঠেছে, নাবালিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার 'অপরাধে' প্রাথমিকভাবে তরুণ এবং তাঁর বন্ধুকে তুলে আনা হয়। পরবর্তীতে তরুণের বাবাকেও আনা হয়। সেখানে বন্দুক দেখিয়ে তিনজনকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে।
মা-সহ সরশুনার ঘটনায় মোট ৪ জন ধৃত, ৩ জনকে হাঁটানো হয়
অভিযোগ, তরুণ, তাঁর বাবা এবং তাঁর বন্ধুকে উলঙ্গ করে ভরসন্ধ্যায় সরশুনার রাস্তায় ঘোরানো হয়। প্রায় ৫০ মিটার ঘোরানোর পরে প্রতিবেশীরা কোনওক্রমে তাঁদের উদ্ধার করেন। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়োও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। পড়ে যায় হইচই। দ্রুত কিশোরীর বাবা, মামা এবং মা রিঙ্কু সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে সোমবার রাতে পড়শি শংকরকেও গ্রেফতার করে পুলিশ।
তারপর আজ সকালে তিন ধৃত পুরুষকে এলাকায় এনে খালি গায়ে ও খালি পায়ে ঘোরানো হয়। তাদের মধ্যে সোমবারই আলিপুর আদালতে পেশ করা হয় নাবালিকার বাবা, মামা এবং মা'কে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলার শুনানির সময় আদালতে সরকারি আইনজীবী দাবি করেন, যা হয়েছে সরশুনায়, তা মধ্যযুগীয় বর্বরতার নিদর্শন। বন্দুক দেখিয়ে তরুণ-সহ তিনজনের উপরে নির্মম অত্যাচার করা হয়েছে। উলঙ্গ করিয়ে রাস্তায় হাঁটানো হয়েছে বলে জানানো হয়।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


