রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বহু নেতাকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরই মাঝে খবরে ডায়মন্ডহারবার। সরিষার কামারপোল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে গুলির খোল, পুলিশের উর্দি। এদিকে, শ্যামপুরের আমরদহ এলাকায় এক স্থানীয় তৃণমূল নেতাকে মাথার একাংশ কামিয়ে, গলায় জুতোর মালা পরিয়ে ঘোরান স্থানীয়রা বলে অভিযোগ। এরই মাঝে খবরে, কলকাতার ই এম বাইপাস লাগোয়া মেট্রোপলিটনে এক বহুতলে ভাড়া নেওয়া তৃণমূল ভবন খবরে।

ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের সরিষা অঞ্চলের সরিষার কামারপোল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। শনিবার গভীর রাতে তাঁর বাড়িতে গ্রামবাসীরা হানা দেন বলে খবর। অভিযোগ, বাড়ির বিভিন্ন ঘর থেকে উদ্ধার হয় কয়েক হাজার সরকারি ত্রিপল, শিশুদের খাদ্যসামগ্রী, কম্বল, পোশাক এবং বিপুল পরিমাণ ওষুধ। এছাড়াও তাঁর বাড়ির ভিতর থেকে পুলিশের উর্দি উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। গোটা ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, বাড়ি থেকে বন্দুকের গুলির খোল ও বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ এবং পারুলিয়া কোস্টাল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে, শ্যামপুরের আমরদহ এলাকার সন্ন্যাসী মান্না নামে এক তৃণমূল নেতার ওপরেও এলাকাবাসী চড়াও হয়েছে বলে খবর। অভিযোগ, একশো দিনের কাজের প্রকল্পের টাকা ঘিরে তিনি দুর্নীতি করেছেন বলে। তাঁকে এদিন মাথা অর্ধেক কামিয়ে, গলায় জুতোর মালা পরিয়ে ঘোরানো হয়েছে বলে খবর। খবর পৌঁছাতেই এলাকায় পৌঁছয় শ্যামপুর থানার পুলিশ।
এদিকে, ই এম বাইপাস লাগোয়া মেট্রোপলিটনে যে বহুতলে তৃণমূল ভবন ভাড়া নেওয়া হয়েছে, সেই বাড়ির মালিক মন্টটু সাহা সেই তৃণমূল ভবনে যান তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে। মন্টুবাবু অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের কেউই তাঁর ফোন ধরছেন না, তাই বাধ্য হয়েই তাঁকে এ দিন তৃণমূল ভবনে আসতে হয়। নিউজ ১৮র রিপোর্ট বলছে, তৃণমূলের তরফে কারোর সাড়া না পেয়ে তিনি তৃণমূলের নেতৃত্বকে একটি চিঠি দেবেন বলে ঠিক করেছেন বাড়ির মালিক। তাতে সাড়া না পেলে বা বাড়ির দখল না ছাড়লে, তিনি আইনি পদক্ষেপের পথে যেতে পারেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
{{/usCountry}}এদিকে, ই এম বাইপাস লাগোয়া মেট্রোপলিটনে যে বহুতলে তৃণমূল ভবন ভাড়া নেওয়া হয়েছে, সেই বাড়ির মালিক মন্টটু সাহা সেই তৃণমূল ভবনে যান তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে। মন্টুবাবু অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের কেউই তাঁর ফোন ধরছেন না, তাই বাধ্য হয়েই তাঁকে এ দিন তৃণমূল ভবনে আসতে হয়। নিউজ ১৮র রিপোর্ট বলছে, তৃণমূলের তরফে কারোর সাড়া না পেয়ে তিনি তৃণমূলের নেতৃত্বকে একটি চিঠি দেবেন বলে ঠিক করেছেন বাড়ির মালিক। তাতে সাড়া না পেলে বা বাড়ির দখল না ছাড়লে, তিনি আইনি পদক্ষেপের পথে যেতে পারেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
{{/usCountry}}