উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া থেকে পূর্ব বর্ধমান, হুগলি - বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক রেল প্রকল্পে অনুমোদন পড়ার কথা ঘোষণা করছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতারা। বৃহস্পতিবার বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর দাবি করেছেন, বনগাঁ-পোড়া মহেশতলা, বনগাঁ-চাঁদা এবং চাঁদাবাজার-বাগদা রেললাইন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে রেল মন্ত্রক। আর কয়েক ঘণ্টা পরেই বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ জানিয়েছেন, বোয়াচণ্ডী-আরামবাগ এবং বোয়াচণ্ডী-খানা রেললাইনের কাজ শুরু করার অনুমোদন পড়ে গিয়েছে।

বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে ৩ টি রেললাইন প্রকল্প
আর নিজের লোকসভা কেন্দ্র সংক্রান্ত রেল প্রকল্পের বিষয়ে শান্তনু বলেছেন, ‘ভারতীয় রেল মন্ত্রক দ্বারা বনগাঁ লোকসভা অন্তর্গত নিম্নলিখিত রেলপথ প্রকল্পগুলির নির্মাণ কাজ শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বনগাঁ-পোড়া মহেশতলা, বনগাঁ-চাঁদা, চাঁদাবাজার-বাগদা।’ সেই রেশ ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বনগাঁর সাংসদ।
পূর্ব বর্ধমান থেকে হুগলি- একাধিক লাইন প্রকল্পে অনুমোদন
একইভাবে বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ বলেছেন, ‘বিষ্ণুপুর লোকসভার মানুষের জন্য এক অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে অনুমোদন পেল বোয়াচণ্ডী-আরামবাগ এবং বোয়াচণ্ডী-খানা নতুন রেললাইন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ। এই দুটি রেলপথ বাস্তবায়িত হলে বিষ্ণুপুর লোকসভা এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন আরও গতি পাবে।'
সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, 'ওন্দা রেলওয়ে স্টেশনে ১৩৫০৫/১৩৫০৬ দিঘা-আসানসোল এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজে অনুমোদন (দেওয়া হয়েছে। যা) এই অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতকে করবে আরও সহজ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সময়সাশ্রয়ী। সাধারণ যাত্রী থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রী, কর্মজীবী মানুষ ও ব্যবসায়ী সকলেই এই সিদ্ধান্তে উপকৃত হবেন।’
নয়া জীবন পাচ্ছে স্বপ্নের প্রান্তিক-সিউড়ি রেললাইন
তারইমধ্যে বৃহস্পতিবার পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, নয়া জীবন পাচ্ছে স্বপ্নের প্রান্তিক-সিউড়ি রেললাইন প্রকল্প। অনেকদিন আগেই ৩৩.৯৮ কিলোমিটারের প্রান্তিক-সিউড়ি নয়া লাইন তৈরির সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছিল রেলওয়ে বোর্ড। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই প্রকল্পের কাজ ঝুলে ছিল। এখন সেই প্রকল্পে নয়া গতির সঞ্চার হয়েছে। যে প্রকল্পের হাত ধরে বীরভূম এবং পার্শ্বর্বর্তী অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ভালো হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত হবে।
{{/usCountry}}তারইমধ্যে বৃহস্পতিবার পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, নয়া জীবন পাচ্ছে স্বপ্নের প্রান্তিক-সিউড়ি রেললাইন প্রকল্প। অনেকদিন আগেই ৩৩.৯৮ কিলোমিটারের প্রান্তিক-সিউড়ি নয়া লাইন তৈরির সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছিল রেলওয়ে বোর্ড। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই প্রকল্পের কাজ ঝুলে ছিল। এখন সেই প্রকল্পে নয়া গতির সঞ্চার হয়েছে। যে প্রকল্পের হাত ধরে বীরভূম এবং পার্শ্বর্বর্তী অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ভালো হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত হবে।
{{/usCountry}}পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, সাহেবগঞ্জ লুপ (প্রান্তিক) এবং অন্ডাল--সাঁইথিয়া শাখা লাইনের (সিউড়ি) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে একটি লুপ বা বৃত্তাকার পথ তৈরি করবে প্রান্তিক-সিউড়ি রেললাইন প্রকল্প। সহজ হবে তারাপীঠ, বক্রেশ্বর, শান্তিনিকেতন, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পথও। মজবুত হবে পর্যটন শিল্প।