Street Renaming: রাজ্যে সরকারের পরিবর্তন হতেই একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রথম থেকেই রাজ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন তিনি। বদলের বাংলায় এবার কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম বদলের উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর গঠন করা নামকরণ মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শহরের বেশ কয়েকটি রাস্তার নতুন নাম নির্ধারণ করা হতে পারে। তালিকায় রয়েছে বিশ্ব বাংলা সরণি, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা।

সূত্রের দাবি, বিশ্ব বাংলা সরণির নতুন নাম হতে পারে ‘মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেব সরণি।’ একই সঙ্গে লেলিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণির মতো বিদেশি ব্যক্তিত্বদের নামে থাকা কয়েকটি রাস্তার নামও পরিবর্তনের ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও রাজ্য সরকারের তরফে কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়নি। সম্প্রতি গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নামকরণ নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, 'কলকাতায় কোনও মুঘল, পাঠান বা অত্যাচারী ব্রিটিশের নামে নামকরণ থাকবে না। ভগিনী নিবেদিতা ছাড়া কোনও বিদেশির নাম থাকবে না।' তাঁর কথায়, এপিজে আব্দুল কালামের মতো প্রকৃত দেশভক্তদে তথ্য দিন, রাজ্য সরকার যথাযথ মর্যাদা দেবে।'
এর পরেই রাস্তার নামকরণ মূল্যায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কার্তিক মহারাজকে। সেই কমিটির সুপারিশ রাজ্য সরকারের কাছে জমা পড়বে। সরকারি অনুমোদন মিললেই ধাপে ধাপে নতুন নাম কার্যকর করা হবে। সূত্রের খবর, দুর্গাপুজোর আগেই বিশ্ব বাংলা সরণিতে নতুন নামের ফলক বসানোর প্রস্তুতি শুরু হতে পারে। রাস্তার নতুন নামকরণ প্রসঙ্গে কার্তিক মহারাজ বলেন, 'আমরা বাংলার ঐতিহাসিকবিদ, যারা স্বাধীনতার সঙ্গে যুক্ত, ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত, তাদের নিয়ে কমিটি গঠন করেছি। সেই কমিটিতে দশটি নাম নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। কোন জায়গায় কোন নাম হবে তারপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমান প্রজন্মের ধারনা বদলে ফেলার চেষ্টা হয়েছে ভারতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে। ভুল বার্তার জন্য বিদেশিরা তাদের সংস্কৃতি আমাদের উপর চাপিয়ে দিতে পেরেছিল। আমরা চাই ভারতীয় উৎকর্ষের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত তাঁদের নামেই নামাঙ্কিত হোক সরণি।'
উল্লেখ্য, গত মাসের ২১ তারিখ রাজ্য সরকার প্রথমবারের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। সোরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম বদলে রাখা হয় ‘গোপাল মুখার্জি রোড।’ ইতিহাসে ‘গোপাল পাঁঠা’ নামে পরিচিত গোপাল মুখার্জি ১৯৪৬ সালের মহম্মদ আলি জিন্নার ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে’ বা ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস’-এ কলকাতার রাজপথ পিচ্ছিল হয়ে ওঠে হিন্দুদের রক্তে। রক্তগঙ্গা বয়ে যায় হাওড়াতেও। রক্তাক্ত হয়ে হিন্দু বাঙালিকে রক্ষা করার নায়ক ছিলেন গোপাল পাঁঠা। হিন্দুদের বাঁচাতে হাতে তুলে নিয়েছিলেন অস্ত্র। তাঁর নেতৃত্বেই কলকাতায় পাকপন্থী দাঙ্গাকারীদের পালটা মার দিতে শুরু করে হিন্দুরা। বউবাজারের বাসিন্দা গোপালদের ছিল পাঁঠার দোকান। পেশায় ছিলেন একজন কসাই। সে কারণেই তিনি গোপাল পাঁঠা নামে পরিচিত। সেই গোপাল পাঁঠার স্মৃতিতেই রাস্তার নতুন নামকরণ করা হয়েছে। এখন নজর রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। অনুমোদন মিললে কলকাতার একাধিক পরিচিত রাস্তা খুব শীঘ্রই পেতে পারে নতুন পরিচয়।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, গত মাসের ২১ তারিখ রাজ্য সরকার প্রথমবারের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। সোরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম বদলে রাখা হয় ‘গোপাল মুখার্জি রোড।’ ইতিহাসে ‘গোপাল পাঁঠা’ নামে পরিচিত গোপাল মুখার্জি ১৯৪৬ সালের মহম্মদ আলি জিন্নার ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে’ বা ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস’-এ কলকাতার রাজপথ পিচ্ছিল হয়ে ওঠে হিন্দুদের রক্তে। রক্তগঙ্গা বয়ে যায় হাওড়াতেও। রক্তাক্ত হয়ে হিন্দু বাঙালিকে রক্ষা করার নায়ক ছিলেন গোপাল পাঁঠা। হিন্দুদের বাঁচাতে হাতে তুলে নিয়েছিলেন অস্ত্র। তাঁর নেতৃত্বেই কলকাতায় পাকপন্থী দাঙ্গাকারীদের পালটা মার দিতে শুরু করে হিন্দুরা। বউবাজারের বাসিন্দা গোপালদের ছিল পাঁঠার দোকান। পেশায় ছিলেন একজন কসাই। সে কারণেই তিনি গোপাল পাঁঠা নামে পরিচিত। সেই গোপাল পাঁঠার স্মৃতিতেই রাস্তার নতুন নামকরণ করা হয়েছে। এখন নজর রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। অনুমোদন মিললে কলকাতার একাধিক পরিচিত রাস্তা খুব শীঘ্রই পেতে পারে নতুন পরিচয়।
{{/usCountry}}