ইদ উপলক্ষে রাজ্যের ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এক সোশ্যাল মিডিয়া বার্তায় তিনি লেখেন, 'যারা ইদ-উল-আজহা উদযাপন করছেন, তাদের সকলকে শুভেচ্ছা। আপনাদের ও আপনাদের পরিবারের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।' পাশাপাশি ইদ-উল-আজহার আবহে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

রাষ্ট্রপতি বলেছেন যে, এই উৎসবটি সকলকে মানবতার সেবা করতে, বিশেষ করে সমাজের বঞ্চিত অংশের সেবা করতে অনুপ্রাণিত করে। রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, 'ইদ-উল-আজহা উপলক্ষে আমি আমার সকল দেশবাসীকে, বিশেষ করে মুসলিম ভাই ও বোনদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই উৎসবটি আত্মনিবেদন, ত্যাগ এবং নিষ্ঠার প্রতীক। এই উৎসব আমাদের মানবতার সেবা করতে, বিশেষ করে সমাজের বঞ্চিত শ্রেণির সেবা করতে অনুপ্রাণিত করে। আসুন, এই শুভ উপলক্ষে আমরা সমাজে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি প্রসারে আরও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাই।'
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স প্ল্যাটফর্মে করা একটি পোস্টে বলেন, 'ইদ-উল-আজহার শুভেচ্ছা! এই উপলক্ষটি আমাদের সমাজে ভ্রাতৃত্ব ও আনন্দের অনুভূতিকে আরও গভীর করে তুলুক। সকলের সাফল্য ও সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা করছি।' এদিকে আজ উদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও।
এদিকে কলকাতায় এবছর আর রেড রোডে অনুষ্ঠিত হয়নি ইদের নমাজ। তার বদলে ব্রিগেড ময়দানে আয়োজন করা হয়েছিল ইদের নমাজের। ইদের দিনই আবার মায়াপুরে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি ইসকন মন্দিরে যান। মায়াপুরে গোশালায় তিনি গোমাসেবা করেন। তারপর মন্দির দর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরই সঙ্গে সাধু সন্ন্যাসীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। উল্লেখ্য, এবছর কোরবানির ইদে গরু জবাই করা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছে। ১৯৫০ সালের আইন কার্যকর করে জনসমক্ষে গরু জবাই বন্ধের নির্দেশ দেয় সরকার। এরই সঙ্গে ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়া গরু জবাইয়ের ওপরই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
{{/usCountry}}এদিকে কলকাতায় এবছর আর রেড রোডে অনুষ্ঠিত হয়নি ইদের নমাজ। তার বদলে ব্রিগেড ময়দানে আয়োজন করা হয়েছিল ইদের নমাজের। ইদের দিনই আবার মায়াপুরে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি ইসকন মন্দিরে যান। মায়াপুরে গোশালায় তিনি গোমাসেবা করেন। তারপর মন্দির দর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরই সঙ্গে সাধু সন্ন্যাসীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। উল্লেখ্য, এবছর কোরবানির ইদে গরু জবাই করা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছে। ১৯৫০ সালের আইন কার্যকর করে জনসমক্ষে গরু জবাই বন্ধের নির্দেশ দেয় সরকার। এরই সঙ্গে ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়া গরু জবাইয়ের ওপরই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
{{/usCountry}}