চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরে শনিবার প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে দাবি করা হয়েছে, শনিবার পশ্চিমবঙ্গকে মোট ১৮,৬৮০ কোটি টাকার 'উপহার' দেবেন মোদী। আর সেটার ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি 'উপহার' সড়ক এবং রেলপথ। সবমিলিয়ে ৪২০ কিলোমিটার মতো জাতীয় সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। যার মূল্য ১৬,৯৯০ কোটি টাকার মতো। তাছাড়াও নয়া ট্রেনকে সবুজ পতাকা দেখাবেন প্রধানমন্ত্রী। 'অমৃত ভারত প্রকল্প'-র আওতায় নবরূপে সজ্জিত ছ'টি স্টেশনের উদ্বোধন করবেন। তাছাড়াও আরও কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর থেকে কী কী ‘উপহার’ পাবে রেল?

১) পুরুলিয়া-আনন্দ বিহার টার্মিনাল এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
২) পশ্চিমবঙ্গের আরও ছ'টি স্টেশনকে 'অমৃত ভারত প্রকল্প'-র আওতায় আনা হচ্ছে - কামাখ্যাগুড়ি, তমলুক, হলদিয়া, বরাভূম, আনাড়া এবং সিউড়ি।
৩) বেলদা থেকে দাঁতনের মধ্যে তৃতীয় লাইনের উদ্বোধন করা হবে। রেলের তরফে দাবি করা হয়েছে, ওই লাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬ কিলোমিটার। আর ওই লাইনের ফলে ওই অংশে চাপ কমবে। আরও বেশি সংখ্যক ট্রেন চালানো যাবে। আরও দ্রুত পৌঁছানো যাবে গন্তব্যে।
৪) কলাইকুন্ডা এবং কানিমোহুলির মধ্যে অটোমেটিক ব্লক সিগন্যালিংও চালু করা হবে বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: WB 7th Pay Commission: পশ্চিমবঙ্গে সপ্তম বেতন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি জারি কবে হবে? বাজেটে ঘোষণা করা হয়
জাতীয় সড়ক সংক্রান্ত কী কী উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন?
১) ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক এবং ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
{{/usCountry}}১) ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক এবং ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
{{/usCountry}}২) ১১৬এ নম্বর জাতীয় সড়কের ২৩১ কিমি দীর্ঘ চার লেনের খড়্গপুুর-মোরগ্রাম অর্থনৈতিক করিডরের পাঁচটি অংশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। যে প্রকল্প খড়্গপুর এবং শিলিগুড়ির মধ্যেকার অর্থনৈতিক করিডরের একাংশ। যা পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের মধ্যে দিয়ে যাবে। সেই প্রকল্পের ফলে খড়্গপুর এবং মোরগ্রামের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটারের মতো কমে যাবে। সেইসঙ্গে যাতায়াতের সময় কমে যাবে সাত-আট ঘণ্টা।
৩) ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে চার লেনের দুবরাজপুর বাইপাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। যে বাইপাসের দৈর্ঘ্য হবে ৫.৬ কিমি। তার ফলে যাতায়াতের সময় এক ঘণ্টার মতো কমে যাবে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে দাবি করা হয়েছে।
৪) ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে কংসাবতী এবং শিলাবতীর উপরে আরও একটি চার লেনের ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকরবেন।