Pushpa Jahangir Khan Latest Update: ‘পুষ্পা’-র মুক্তির দাবিতে ফলতায় জাহাঙ্গীর খানের স্ত্রী'র নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছিল। থানার দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন তাঁরা। সেইসময় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের তাড়া খেয়ে পালিয়ে যান বিক্ষোভকারীরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়োয় (সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা) দেখা গিয়েছে, লাঠির ভয়ে লোকজন পিলপিল করে ছুটে পালাচ্ছেন। অনেকেই পুকুরে ঝাঁপ দেন। পড়ি-কি-মরি করে সাঁতার কেটে পুকুর পেরিয়ে অন্য রাস্তায় চলে যেতে দেখা যায় অনেককে। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিস্থিতি যেরকম হচ্ছিল, তাতে বিক্ষোভকারীদের তাড়া না করলে থানায় হামলা চালানো হতে পারত। সেজন্যই কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
‘ফলতার চুপসা জাহাঙ্গীর খান’, কটাক্ষ বিজেপির

আর পুরো ঘটনা নিয়ে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন মিডিয়া ইন-চার্জ তুষারকান্তি ঘোষ বলেন, ‘আজ ফলতার চুপসা জাহাঙ্গীর খানকে জেল থেকে বের করতে তাঁর স্ত্রী কিছু বিশেষ গুন্ডাদের নিয়ে থানায় আক্রমণ চালায়। পাল্টা তেড়ে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী আর পুলিশ! সবাই দৌড় - কিছু ভয়ে পুকুরে লাফ দেয়! এটাই আপনার একটা ভোটের ক্ষমতা।’
আরও পড়ুন: Rachana Banerjee: ‘দিদিকে দেখেই ভোট পেয়েছি এটা সত্যি…', মমতার সঙ্গে ‘গদ্দারি’, কী সাফাই রচনার?
জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করা হয় কয়েকদিন আগেই
এমনিতে সপ্তাহখানেক আগে 'পুষ্পা'-কে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। পুলিশ সূত্রের খবর, নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন জাহাঙ্গীর। সেই সময়ই এসটিএফের জালে ধরা পড়েন। গোয়েন্দাদের কাছে আগে থেকেই তাঁর সম্ভাব্য গতিবিধি সংক্রান্ত তথ্য ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে তাঁকে পাকড়াও করা হয়। নেপালে গিয়ে নাকি সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করার পরিকল্পনাও করে ফেলেছিল জাহাঙ্গীর।
জাহাঙ্গীর ও ফলতায় দাপট
{{/usCountry}}জাহাঙ্গীর ও ফলতায় দাপট
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, ভোটের আগে নিজেকে 'পুষ্পা' বলে আখ্যা দিয়েছিলেন জাহাঙ্গীর। তিনিই ফলতা পুনর্নিবাচনের দু'দিন আগে ভোট থেকে 'সরে দাঁড়ান'। জাহাঙ্গীর বলেন, 'ফলতার উন্নয়ন ও শান্তির স্বার্থে তিনি লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি আমি।' নির্বাচন কমিশনের তরফে ফলতা কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর থেকেই বিতর্ক তীব্র হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, ভোটারদের ভয় দেখানো থেকে শুরু করে বুথ দখল ও ইভিএমে কারচুপির মতো ঘটনা ঘটেছে এলাকায়। এই অভিযোগের জেরেই পুরো কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।