নির্বাচনের আগে আরজি কর থেকে শুরু করে দুর্নীতি ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগেছিলেন রাহুল গান্ধী। সেই রাহুল গান্ধীই আবার ভোটের ফল প্রকাশের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করলেন রাহুল গান্ধী। গতকাল নিজের আসনেও হার নিশ্চিত বুঝতে পেরে গণনাকেন্দ্রে গিয়েছিলেন মমতা। তারপর তিনি দাবি করেছিলেন, বিজেপি নাকি ১০০টি আসন লুট করেছে। এবার রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, রাহুল নাকি এরপর মমতাকে ফোন করেন এবং তাঁর আসন চুরির দাবির সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে বৈঠকে বসতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। একমাত্র কেরল ছাড়া বাকি তিন রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইন্ডিয়া জোটের ভরাডুবি হয়েছে। এই আবহে ভোট চুরির ইস্যুকে বিজেপির বিরুদ্ধে হাতিয়ার করতে চাইছে বিরোধীরা। সেই বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য নাকি মমতাকে দিল্লি যাওয়ার আমন্ত্রণ জানাতে পারে কংগ্রেস। এই মমতাকেই অবশ্য কয়েকদিন আগে একাধিক ইস্যুতে তোপ দেগে চলেছিলেন রাহুল গান্ধী। এমনকী বিজেপি-তৃণমূল আঁতাতের অভিযোগ পর্যন্ত করেছিলেন তিনি। রাহুল বলেছিলেন, যদি মমতার সঙ্গে বিজেপির আঁতাত না থাকে, তাহলে কেন মমতাকে ইডি বা সিবিআই কেন কখনও তলব করে না। এদিকে কর্মসংস্থান এবং দুর্নীতি ইস্যুতে রাহুল বলেছিলেন, বাংলায় চাকরি পেতে হলে তৃণমূল করতে হয় বা পরিবারের কাউকে তৃণমলের নেতা হতে হয়। তবে এই সব বলে রাহুলকে এবার ইউটার্ন নিয়ে মমতাকে ফোন করতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন পরে কংগ্রেস এই রাজ্যে একা লড়ে। বাংলার ২৯৪ আসনে প্রার্থী দিয়ে ২টিতে জয়ী হন তারা। তবে অধীর চৌধুরী, মৌসম বেনজির নুরের মতো হেভিওয়েটরা হেরে যান। রাজ্যে কংগ্রেসের ভোটের হার নেমে এসেছে ২.৯৭ শতাংশে। এই আবহে ফের মমতার সঙ্গে হাত মেলানোর পথে হাঁটতে চাইছেন রাহুল গান্ধী।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন পরে কংগ্রেস এই রাজ্যে একা লড়ে। বাংলার ২৯৪ আসনে প্রার্থী দিয়ে ২টিতে জয়ী হন তারা। তবে অধীর চৌধুরী, মৌসম বেনজির নুরের মতো হেভিওয়েটরা হেরে যান। রাজ্যে কংগ্রেসের ভোটের হার নেমে এসেছে ২.৯৭ শতাংশে। এই আবহে ফের মমতার সঙ্গে হাত মেলানোর পথে হাঁটতে চাইছেন রাহুল গান্ধী।
{{/usCountry}}এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের আগে বলেছিলেন, বাংলা জয় করে তিনি দিল্লিতে বিজেপিকে সরানোর জন্য ঝাঁপাবেন। তবে এবার বাংলা হাতছাড়া হওয়ার পরে দিল্লি যাওয়ার পথে পা বাঁড়াতে হতে পারে মমতাকে। এমনিতে এবারের ভোটে তৃণমূলের হয়ে প্রচার করতে এসেছিলেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, আপ নেতা অরবিন্দ কেজরীওয়াল এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেএমএম নেতা হেমন্ত সোরেন। রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, বাংলার ভোটের পরে এমনিতেই অকংগ্রেসি বিরোধী দলগুলির বৈঠকের পরিকল্পনা ছিল। তবে এবার সেই বৈঠক না হতে দিতে চায় না কংগ্রেস। এই আবহে মমতাকে রাহুলের এই ফোন অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। বিরোধীদের নেতৃত্বে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে চায় কংগ্রেস।