Rahul Gandhi: দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের হয়ে প্রচারে কলকাতায় আসছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এর আগে হাত শিবির চেয়েছিল ২৩ এপ্রিল কলকাতায় আসুক রাহুল গান্ধী। মেটিয়াবুরুজ, পার্ক সার্কাস এবং শ্রীরামপুরে তাঁর প্রচারে যাওয়ার কথা ছিল। তবে কলকাতার সভার জন্য অনুমতি পায়নি কংগ্রেস। এবার আগামী ২৫ রাহুলের সভা অনুষ্ঠিত করতে চলেছে কংগ্রেস। জানা গিয়েছে, ২৫ এপ্রিল কলকাতার শহিদ মিনার ময়দানে সভা করার কথা রাহুলের। এছাড়া মেটিয়াবুরুজেও সভা করার কথা তাঁর। এছাড়া শ্রীরামপুরে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের হয়ে প্রচারে যাওয়ার কথা রাহুলের। (আরও পড়ুন: 'আমি ভোট না দিলেও কীভাবে আমার ভোট হয়ে গেল?' বুথে গিয়ে হতবাক ভোটার)

রিপোর্ট অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার কলকাতার মেটিয়াবুরুজ ও পার্ক সার্কাস ময়দানে সভা করার পরিকল্পনা ছিল রাহুল গান্ধীর। কিন্তু সেখানে সভা করার অনুমতি ঘিরে জটিলতা দেখা দেয়। পরে রানি রাসমণি রোডে সভার অনুমতিও চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাও মেলেনি। প্রসঙ্গত, কলকাতা পুরসভার আওতাধীন এলাকায় সভা-মিছিলের অনুমতি দেয় কেএমসি। আবার নির্বাচন আবহে বর্তমানে রাজ্য প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। এই আবহে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। এরই সঙ্গে আবার নির্বাচন কমিশনকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে তারা। এর আগে উত্তর দিনাজপুরে রাহুল গান্ধীর সভার আগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে হেলিপ্যাড ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল কংগ্রেস। এদিকে মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং দিনাজপুরের প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে একের পর এক ইস্যুতে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। এবার কলকাতায় এসে তিনি কোন দলের বিরুদ্ধে বেশি আক্রমণাত্মক হবেন, তা নিয়ে কৌতুহল অনেকের মনেই। (আরও পড়ুন: ভোটের আগে শুভেন্দুর হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে বিদায়ী বিধায়ক)
প্রসঙ্গত, বহু বছর পরে পশ্চিমবঙ্গে একা লড়াই করছে কংগ্রেস। এর আগে বাম জমানায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়েছিল হাত শিবির। আবার তৃণমূল ক্ষমতায় যাওয়ার পরে সিপিএমের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল কংগ্রেস। তবে এবার তারা একলা লড়তে চলেছে। গত বিধানসভা ভোটে বামেদের সঙ্গে জোট বেঁধেও একটিও আসন জেতেনি কংগ্রেস। পরে উপনির্বাচনে সাগরদিঘি আসনে কংগ্রস জয়ী হয়েছিল। তবে জয়ী বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় কংগ্রেসের ঝুলি শূন্যই থেকেছে। এই আবহে বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় খাতা খুলতে মরিয়া কংগ্রেস।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, বহু বছর পরে পশ্চিমবঙ্গে একা লড়াই করছে কংগ্রেস। এর আগে বাম জমানায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়েছিল হাত শিবির। আবার তৃণমূল ক্ষমতায় যাওয়ার পরে সিপিএমের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল কংগ্রেস। তবে এবার তারা একলা লড়তে চলেছে। গত বিধানসভা ভোটে বামেদের সঙ্গে জোট বেঁধেও একটিও আসন জেতেনি কংগ্রেস। পরে উপনির্বাচনে সাগরদিঘি আসনে কংগ্রস জয়ী হয়েছিল। তবে জয়ী বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় কংগ্রেসের ঝুলি শূন্যই থেকেছে। এই আবহে বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় খাতা খুলতে মরিয়া কংগ্রেস।
{{/usCountry}}