রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেশ করেছেন বিজেপির রাহুল সিনহা। সেই মনোনয়নপত্রে নাকি তথ্য গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, একাধিক ভুল থাকা সত্ত্বেও রাহুল সিনহার মনোনয়ন গ্রহণ হয়েছে বলে অভিযোগ। এই আবহে নির্বাচন কমিশনের কাছে রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করল তৃণমূল কংগ্রেস। এই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে। সেখানে তাদের অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থীর জমা দেওয়া হলফনামায় (ফর্ম ২৬) তথ্য গোপন করা হয়েছে। সেখানে আর্থিক ঘোষণা অস্পষ্ট এবং সম্পদের বিবরণ অসম্পূর্ণ। যানবাহন, দেনা-পাওনা, বিনিয়োগ সংক্রান্ত নানা গরমিল রয়েছে তাতে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৫ মার্চ বিধানসভায় গিয়ে রাজ্যসভার মনোনয়ন ফর্মে একাধিক ভুল করেছিলেন রাহুল সিনহা। পরে শমীক ভট্টাচার্যের ফর্ম দেখে নিজের ফর্ম ভরে মনোনয়ন পেশ করেন তিনি। তৃণমূলের দাবি, স্ক্রুটিনির সময় প্রতিনিধিদের চোখে আরও ত্রুটি ধরা পড়েছিল। তবে সেই সব ত্রুটি অগ্রাহ্য করেন রিটার্নিং অফিসার। এই আবহে তৃণমূল মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এই আবহে রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে চিঠি লিখেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
জানা গিয়েছে, গত ৫ মার্চ মনোনয়ন পত্র জমার সময় আরও একটি মামলা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিতে গলদ ছিল রাহুল সিনহার। ৬ মার্চ মনোনয়নের স্ক্রুটিনি শুরুর আগে সেই নথি জমা দিতে বলা হয়েছিল রাহুল সিনহাকে। স্ক্রুটিনির পরে গ্রহণ করা হয় রাহুল সিনহার মনোনয়নপত্র। তবে তৃণমূলের অভিযোগ, রিটার্নিং অফিসার সৌমেন্দ্রনাথ দাস ঠিকমতো স্ক্রুটিনি করেননি। স্ক্রুটিনির সময় প্রতিনিধিরা এই ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও রিটার্নিং অফিসার তা অগ্রাহ্য করেছেন। তৃণমূল বলছে, স্ক্রুটিনি কার্যত শেষ হয়ে যাওয়ার পর একটি সংশোধিত হলফনামা সামনে আনা হয়। যা আগে যাচাইয়ের জন্য দেওয়া হয়নি। এমনিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাহুল সিনহার নির্বাচিত হওয়ার কথা। ৯ মার্চ তাঁকে জয়ী সার্টিফিকেট দেওয়ার কথা নির্বাচন কমিশনের। তবে তার আগে তৃণমূল রাহুলের মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্বারস্থ হওয়ায় জল্পনা তৈরি হয়েছে।