কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব কলকাতায় এসে মেট্রো চাপলেন। কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে তিনি সংলগ্ন জয় হিন্দ মেট্রো স্টেশন থেকে তিনি আজ মেট্রো করে নোয়পাড়া যান। সেখান থেকে অটো করে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে পৌঁছে কনভয়তে চাপেন। কলকাতা মেট্রোতে ভ্রমণকালে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, 'আগামী পাঁচ বছরে কলকাতা মেট্রোতে নতুন প্রজন্মের ৬০টি নতুন ট্রেন যুক্ত করা হবে...' এদিকে মেট্রো সফর করে সোজা নবান্নে পৌঁছে যান রেলমন্ত্রী। সেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেই বৈঠকে আবার দেখা যায় কয়েকজন তৃণমূল বিধায়ককেও।

আজ নবান্ন থেকে রেলমন্ত্রী ঘোষণা করেন, শীঘ্রই পশ্চিমবাসীর জন্য বুলেট ট্রেন পরিষেবার সম্ভাবনার কথা জানালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি জানান, ভবিষ্যতে এই পরিষেবা চালু হলে মাত্র ৬ ঘণ্টায় দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পৌঁছনো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বাংলার রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে এক লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।
বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, আগের তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব থাকায় একাধিক রেল প্রকল্পের কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, রেলমন্ত্রক ও রেলবোর্ড বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তৎকালীন রাজ্য সরকারের তরফে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা মেলেনি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্র ও রাজ্য একযোগে কাজ করায় উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলতে চলেছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত কয়েক বছরে মেট্রো ও বিভিন্ন রেল প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে বাংলার রেল উন্নয়নের জন্য ১৪ হাজার ২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি আগামী দিনে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার রেল প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানান।
রেল পরিকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে রাজ্যে ১০২টি অমৃত ভারত স্টেশন গড়ে তোলা হবে। এছাড়াও ৫৩৮টি রেল ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পগুলির জন্য প্রয়োজনীয় জমি রাজ্য সরকার প্রদান করবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি আরও জানান, এখনও পর্যন্ত রাজ্যের বেশ কয়েকটি এলাকা রেল যোগাযোগের বাইরে রয়েছে। করিমপুর, তেহট্ট, জলঙ্গি, গোপীবল্লভপুর, নয়াগ্রাম, হিলি-সহ একাধিক অঞ্চলকে রেল মানচিত্রের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য, রাজ্যের প্রত্যেক জেলাকে উন্নত রেল যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত করা। কেন্দ্র ও রাজ্যের এই যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে যাত্রী পরিষেবা, পণ্য পরিবহণ এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}রেল পরিকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে রাজ্যে ১০২টি অমৃত ভারত স্টেশন গড়ে তোলা হবে। এছাড়াও ৫৩৮টি রেল ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পগুলির জন্য প্রয়োজনীয় জমি রাজ্য সরকার প্রদান করবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি আরও জানান, এখনও পর্যন্ত রাজ্যের বেশ কয়েকটি এলাকা রেল যোগাযোগের বাইরে রয়েছে। করিমপুর, তেহট্ট, জলঙ্গি, গোপীবল্লভপুর, নয়াগ্রাম, হিলি-সহ একাধিক অঞ্চলকে রেল মানচিত্রের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য, রাজ্যের প্রত্যেক জেলাকে উন্নত রেল যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত করা। কেন্দ্র ও রাজ্যের এই যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে যাত্রী পরিষেবা, পণ্য পরিবহণ এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}