...
...
Next Story

TMC প্রার্থী হতেই আইনি জটিলতায় স্বপ্না! বড় পদক্ষেপ রেলের, কী নির্দেশ দিল আদালত?

এই পরিস্থিতিতে স্বপ্না বর্মন কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের এজলাসে মামলার শুনানি হয়।

Published on: Mar 26, 2026, 21:31:55 IST
Advertisement

ক্রমেই এগিয়ে আসছে ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দিন। তাই ভোট প্রচারের প্রস্তুতি জোরদার করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে রাজনৈতিক দলগুলি। এদিকে, জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ আসন থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগেই বিপাকে পড়লেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা প্রাক্তন অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন। রেলের চাকরি থেকে ইস্তফা না দিয়েই গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি তৃণমূলে যোগ দেন বলে অভিযোগ। এর জেরেই তাঁর প্রার্থী পদ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

চাকরি থেকে ইস্তফা না রাজনৈতিক দলে!

স্বপ্না বর্মন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অ্যাথলিট। ২০১৮ এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার পাশাপাশি অর্জুন পুরস্কারেও সম্মানিত হয়েছেন তিনি। তবে রাজনীতির ময়দানে নামার সঙ্গে সঙ্গেই বিতর্কের মধ্যে পড়েছেন। জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অফিসার পদে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন স্বপ্না বর্মন। কিন্তু রেল আধিকারিকের পদ থেকে ইস্তফা না দিয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তৃণমূলে যোগদান করেন স্বপ্না। এরপর দল তাঁকে রাজগঞ্জ বিধানসভা আসনের প্রার্থী করে। তাই নিয়ে শুরু হয় হুলুস্থুল কাণ্ড। রেলের তরফে অভিযোগ, চাকরি বজায় রেখেই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় শৃঙ্খলাভঙ্গ হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৯ মার্চ তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। এরপর ১৬ মার্চ স্বপ্না বর্মন ইস্তফা দিলেও, চলতি ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারির কারণে তা গ্রহণ করা হয়নি বলে জানায় রেল কর্তৃপক্ষ।

কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ স্বপ্না বর্মন

এই পরিস্থিতিতে স্বপ্না বর্মন কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের এজলাসে মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বপ্না বর্মনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছিল। সেই কারণে তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। কিন্তু, স্বপ্না যদি নিজের দোষ স্বীকার করেন এবং রেলের কাছে অবসরকালীন কোনও সুযোগ সুবিধা না চান, তাহলে রেল তাঁকে আগামীতে ছাড়পত্র দেবে। উভয় পক্ষ শোনার পর বিচারপতি বিকেল পাঁচটার মধ্যে স্বপ্নাকে তাঁর দোষ স্বীকার করে রেলকে চিঠি দিতে বলেন। স্বপ্না বর্মন রেলকে একটি চিঠি দেন। কিন্তু ওই চিঠিতে রেল সন্তুষ্ট নয় বলে খবর। এরপর রেলের পক্ষ থেকে ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল বিচারপতির কাছে স্বপ্নার চিঠির বিষয়টি তুলে ধরেন। বিচারপতি স্বপ্নাকে পুনরায় নিজের ভুল স্বীকার করে রেলকে দিতে বলেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks