শুক্রবার গভীর রাতে রাজারহাটে বিস্ফোরণের জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজারহাটে এক ভাড়া বাড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘিরে নানান প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার পর থেকেই মূল অভিযুক্ত শামিমের খোঁজ চলে। শেষমেশ ধরা পড়েছে শামিম।

রাজারহাটে এদিন বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি পৌঁছয় এনআইএ। পৌঁছয় বম্ব স্কোয়াড। এদিকে, তদন্ত শুরু করে দেয় পুলিশ। মূল অভিযুক্ত শামিমের জন্য খোঁজ চলে। শেষমেশ শামিম ধরা পড়ে। এদিকে, ইতিমধ্যেই নাবালক-সহ ৩ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, শামিমকে গ্রেফতারির পর তাকে নারায়ণপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ নারায়ণপুরের সুপারি বাগানের বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিল ধৃত শামিম। যে শামিমকে কামারহাটি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। প্রশ্ন উঠছে, কেন রাজারহাটে শামিম ওই বাড়ি ভাড়া নিতে যায়? এদিকে, বাড়ির মালিক ও যে দালালের মাধ্যমে ওই বাড়ি ভাড়া পায় শামিম, সেই দুই জনকেও জেরা করছে পুলিশ। জেরা চলছে এক নাবালকেরও।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে একটি পাটের ব্যাগের মধ্যে বোমা ভরে পাঠানো হয় বাড়িটিতে। এক নাবালকের মাধ্যমে সেই ব্যাগ যায় বাড়িটিতে। তারপরই বিস্ফোরণ। বাড়িটিতে তল্লাশি আরও দু’টি বোমা মিলেছিল। সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। কেন বোমা সেখানে পাঠানো হয়, কোনও বড় নাশকতার ছক ছিল কি না, তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা। আটক ও ধৃতদের পাশাপাশি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রের খবর। রাজারকাণ্ডে সন্দেহ আরও বাড়ছে বেশ কয়েকটি তথ্য ঘিরে। জানা যাচ্ছে, যে পরিচয়পত্র দিয়ে বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল, সেই ঠিকানায় গেল শামিম নামের কাউকেই পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের খবর। এরপরই শামিমকে ধরতে অভিযানের গতি আরও বাড়ানো হয়। এদিকে, রাজারহাট কাণ্ড ঘিরে এনআইএও তদন্ত শুরু করেছে। তারাও বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে বলে খবর।