...
...
Next Story

Rejinagar Assembly By-Election: ‘কোদাল-বেলচা’ নয় ‘বালতি’, প্রতীক বিতর্কে রেজিনগরে প্রার্থী প্রত্যাহার আরএসপির

রেজিনগর আসনকে কেন্দ্র করে বামেদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ অবশ্য অনেক আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল। এই কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে আরএসপির সংগঠনভিত্তিক এলাকা বলে দলটির দাবি। সেই কারণে উপনির্বাচনে তারাই প্রার্থী দেবে বলে আশা করেছিল আরএসপি। কিন্তু বামফ্রন্টের বড় শরিক সিপিএম আলাদা ভাবে প্রার্থী ঘোষণা করে।

Published on: Sep 22, 2026, 09:25:28 IST
Advertisement

রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে ফের বড়সড় রাজনৈতিক মোড়। প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিরোধের জেরে ভোটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বামফ্রন্টের শরিক দল আরএসপি। সোমবার দলের রাজ্য সম্পাদক তপন হোড় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তাঁর অভিযোগ, মনোনয়ন যাচাই বা স্ক্রুটিনি পর্ব শেষ হওয়ার পর কমিশনের তরফে জানানো হয়, আরএসপির পরিচিত ‘কোদাল-বেলচা’ প্রতীক এবার ব্যবহার করা যাবে না। পরিবর্তে দলকে ‘বালতি’ প্রতীকে ভোটে লড়তে বলা হয়েছিল। এর প্রতিবাদেই প্রার্থী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আরএসপি জানিয়েছে।

রেজিনগর আসনকে কেন্দ্র করে বামেদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ অবশ্য অনেক আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল।
রেজিনগর আসনকে কেন্দ্র করে বামেদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ অবশ্য অনেক আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল।

রেজিনগর আসনকে কেন্দ্র করে বামেদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ অবশ্য অনেক আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল। এই কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে আরএসপির সংগঠনভিত্তিক এলাকা বলে দলটির দাবি। সেই কারণে উপনির্বাচনে তারাই প্রার্থী দেবে বলে আশা করেছিল আরএসপি। কিন্তু বামফ্রন্টের বড় শরিক সিপিএম আলাদা ভাবে প্রার্থী ঘোষণা করে। এর পরেই দুই শরিকের মধ্যে মতবিরোধ আরও প্রকাশ্যে আসে। শেষ পর্যন্ত আরএসপিও নিজেদের প্রার্থী হিসেবে বিকাশচন্দ্র সিংহকে দাঁড় করায়। দুই দলই আলাদা ভাবে মনোনয়ন জমা দেয় এবং প্রচার শুরু করে।

এর মধ্যেই সামনে আসে প্রতীক সংক্রান্ত বিতর্ক। আরএসপির বক্তব্য, ‘কোদাল-বেলচা’ তাদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত। দলটির দাবি, এই প্রতীক শুধু নির্বাচনী চিহ্ন নয়, তাদের দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগঠনের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে। তাই শেষ মুহূর্তে প্রতীক বদলের নির্দেশ তারা মেনে নিতে রাজি নয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তপন হোড়। বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ার কথাও জানিয়েছে দলটি।

আরএসপি ভোট থেকে সরে যাওয়ায় রেজিনগরে বামেদের পক্ষে এখন শুধু সিপিএমই প্রার্থী রেখেছে। ফলে দুই বাম শরিকের সরাসরি লড়াইয়ের সম্ভাবনা আপাতত শেষ হয়েছে। তবে আরএসপি ভবিষ্যতে সিপিএম প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নামবে কি না, কিংবা ভোটের দিন দলীয় সমর্থন কোন দিকে যাবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই প্রশ্ন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে, রেজিনগরের নির্বাচনী লড়াইয়ে আরও একটি পরিবর্তন হয়েছে। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর আগেই প্রচার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, দলের কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে এবং পুলিশি পদক্ষেপের কারণে প্রচার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

ফলে উপনির্বাচনের আগে রেজিনগরে একের পর এক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। প্রতীক-বিতর্ক, শরিকি দ্বন্দ্ব এবং একাধিক প্রার্থীর অবস্থান বদলের কারণে ভোটের সমীকরণও বদলে যাচ্ছে। এখন নজর থাকবে, আরএসপির পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হয় এবং তাদের সমর্থকরা শেষ পর্যন্ত কোন পথে যান।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks