...
...
Next Story

Puja Road Repair Drive: পুজোর আগেই শহরের বেহাল রাস্তার সংস্কার! বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে দিশাহীন পুর ইঞ্জিনিয়াররা?

Puja Road Repair Drive: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটাই রাজ্যে প্রথম দুর্গাপুজো। ফলে পুজোর আগে প্রশাসনিক পরিষেবা ও পরিকাঠামোকে সচল রাখাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নতুন সরকার।

Published on: Sep 3, 2026, 15:18:56 IST
Advertisement

Puja Road Repair Drive: পুজোর আর বেশিদিন বাকি নেই। তার আগে কলকাতার সমস্ত বেহাল পিচ রাস্তা সংস্কার ও রং করা নিয়ে বিভিন্ন বরোতে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই দিনভর বৈঠক করলেন বিধায়করা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পুরসভার সমস্ত সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়র ও অফিসাররাও। মূলত পিচ রাস্তা ও শহরের সৌন্দর্যায়নের রং করা নিয়ে বৈঠক হলেও জঞ্জাল সাফাই, নিকাশি ও পার্ক-উদ‌্যানের নানা সমস‌্যা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। অনেক বরোর বৈঠকে অ‌্যাজেন্ডার বাইরের নাগরিক সমস‌্যা নিয়েই দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়েছে।

পুজোর আগেই শহরের বেহাল রাস্তার সংস্কার!
পুজোর আগেই শহরের বেহাল রাস্তার সংস্কার!

দীর্ঘদিন ধরেই শহরের একাধিক এলাকার রাস্তার অবস্থা বেশ খারাপ। বর্ষার মরশুমে জল জমে রাস্তাগুলি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। নিত্যদিনই চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন চালক ও পথচারীরা। এ নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভও অনেক দিনের। ইতিমধ্যে রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। এরপরে রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগী হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। বুধবার বরোর বৈঠকগুলিতে শাসক ও বিরোধী উভয়পক্ষের বিধায়করা যেমন অংশ নেন তেমনই অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বা কালীঘাটপন্থী প্রবীণ তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ‌্যায়ের মতো হেভিওয়েটরা দায়িত্বশীল প্রতিনিধি পাঠিয়ে নিজের কেন্দ্রের সমস্যা সমাধানের পথে হেঁটেছেন। দক্ষিণে দুই বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী ও শর্বরী মুখোপাধ‌্যায় বরো ১০, ১১ ও ১২ নম্বরে, উত্তরে রীতেশ তিওয়ারি, বিজয় ওঝা যেমন অংশ নিয়েছেন তেমনই মঙ্গলবার একটি বরোর বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

পুজোর আগে অন‌্য বছরগুলিতে তিন মাস আগে রাস্তা ও রং নিয়ে বৈঠকের পরই কাজ শুরু হয়ে যেত। কিন্তু এ বছর পুজোর মাত্র ছয় সপ্তাহ আগে এই বৈঠক হওয়ায় ইঞ্জিনিয়ররা কিছুটা দিশাহীন হয়ে পড়েছেন। কারণ, এখনও এত স্বল্প সময়ে প্রতিটি বরোর বিশাল সংখ‌্যক পিচ রাস্তা সংস্কার ও রং করা কার্যত অসম্ভব। সর্বোপরি পুরভবনের নির্দেশ মেনে ‘ডিপিআর’ তৈরি করে পাঠিয়ে টেন্ডার হওয়ার পর পিচ রাস্তায় কাজ করার জন‌্য কমপক্ষে দু'মাস সময় প্রয়োজন। এক্ষেত্রে পুরসভার সেই ‘ডায়েরি’ না মানায় ভোটের আগে ‘পাড়ায় সমাধান’ প্রকল্পের কাজ চলায় খরচ না হওয়া ‘মেইটেইনেন্স’-এর নামমাত্র টাকা দিয়ে পিচ রাস্তাগুলি সংস্কার করা হবে। স্বভাবতই এই বৈঠকে বরোর এক্সকিউটিভরা বিজেপি বিধায়কদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘সামগ্রিকভাবে পিচ রাস্তা সংস্কারে তৃণমূল পুরবোর্ডের রেখে যাওয়া টাকায় স্রেফ জোড়া-তাপ্পি দেওয়া যাবে। আগের মতো ভালোভাবে রাস্তা মেরামত করা সম্ভব নয়।’

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe