পহেলগাঁওতে ২০২৫ সালে পাকিস্তানি মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হামলার পর হরিয়ানার ইনফ্লুয়েন্সার জ্যোতি মালহোত্রার নাম উঠে আসে। অভিযোগ ছিল,পাকিস্তানি হ্যান্ডেলারদের সঙ্গে তাঁর সন্দেহজনক যোগ আছে কি না, তা নিয়ে। এরপর সোশ্যাস মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার জ্যোতি মালহোত্রাকে বড়সড় অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। প্রসঙ্গত, সদ্য জঙ্গি সন্দেহে ধৃত শামিম মণ্ডলের বান্ধবী অর্পিতাকে ঘিরেও একাধিক প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন উঠছে, জ্যোতির মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় অর্পিতাকেও কি একইভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টায় ছিল পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা?

জানা যায়, অর্পিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত অতি সক্রিয় থাকত। ইনস্টাগ্রামে তার রিলও রয়েছে। এছাড়াও বাইক চালাতেও সিদ্ধহস্ত ছিল এই অর্পিতা। মিডিয়া রিপোর্টের তথ্য বলছে, পরিবারে অর্পিতার বাবা পেশায় কৃষক, মা আইসিডিএস কর্মী। দুই বোনের মধ্যে ছোট বোন অর্পিতা। দিদির বিয়ে হয়েছে। এই অর্পিতাকেই হরিয়ানার জ্যোতি মালহোত্রা মডেলে পাকিস্তানি আইএসআই কাজে লাগাতে চেয়েছে কি না, তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ। জ্যোতির মতোই পাকিস্তানি গুপ্তচররা অর্পিতাকে দিয়ে চরচক্র চালানোর চেষ্টায় ছিল কি না, তা নিয়েও চর্চা রয়েছে।
জানা যায়, অর্পিতার সঙ্গে হামিমের ঘনিষ্ঠতা বাড়তেই অর্পিতার কথা হামিম পাকিস্তানে তার হ্যান্ডলারদের জানায়। তদন্তকারীদের দাবি, জঙ্গি-যোগে ধৃত হামিম মণ্ডলের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হলেও অর্পিতাকে আলাদা ভাবে কাজে লাগাতে চেয়েছিল পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা। অর্পিতার সঙ্গে পাকিস্তানি গ্যাংস্টার শাহজাদ ভট্টি গোষ্ঠীর হ্যান্ডলারেরা নিজেরাই যোগাাযোগ রাখত বলে খবর। জানা যাচ্ছে, হামিমের মতো পাকিস্তানি হ্যান্ডেলাররা অর্পিতারও মগজধোলাই করে। তবে অর্পিতা সেই বার্তায় সায় দেওয়ার নেপথ্যে কি টাকার প্রলোভন রয়েছে? সেই বিষয়েও তদন্ত চলছে।
হামিম কাণ্ডের গোটা তদন্তে উঠছে পাকিস্তানি আইএসআই-র যোগে থাকা শেহজাদ ভাট্টির নাম। হামিম এবং অর্পিতাকে দুবাইতে দেখা করতে ডেকেছিল ভট্টি গোষ্ঠীর হ্যান্ডলারেরা, বলে তদন্তের সূত্রে জানা যাচ্ছে। তবে হামিমের পাসপোর্ট না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। জানা যাচ্ছে, অর্পিতার একপ্রকার ট্রেনিংও হয় পাকিস্তানি পক্ষ থেকে। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করছিল অর্পিতা। আনন্দবাজার ডট কম-র রিপোর্ট বলছে, রাজ্য পুলিশের বেশ কয়েকজন সিনিয়র অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল অর্পিতার।কয়েক জন রাজনীতিক এবং তাঁদের সচিবদের সঙ্গেও পরিচয় করেছিল অর্পিতা। প্রসঙ্গত, গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ধৃত জ্যোতিও এদেশের প্রভাবশালীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টায় ছিল, তাহলে কি সেই জ্যোতি-মডেলই অর্পিতার জন্য তৈরি করছিল পাকিস্তানি পক্ষ! প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। এদিকে, হামিমের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের খোঁজে রয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে উঠে এসেছে হামাদ, আবিদ জাট নামে কিছু নাম, মনে করা হচ্ছে এরা পাকিস্তানি হ্যান্ডেলার।
{{/usCountry}}হামিম কাণ্ডের গোটা তদন্তে উঠছে পাকিস্তানি আইএসআই-র যোগে থাকা শেহজাদ ভাট্টির নাম। হামিম এবং অর্পিতাকে দুবাইতে দেখা করতে ডেকেছিল ভট্টি গোষ্ঠীর হ্যান্ডলারেরা, বলে তদন্তের সূত্রে জানা যাচ্ছে। তবে হামিমের পাসপোর্ট না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। জানা যাচ্ছে, অর্পিতার একপ্রকার ট্রেনিংও হয় পাকিস্তানি পক্ষ থেকে। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করছিল অর্পিতা। আনন্দবাজার ডট কম-র রিপোর্ট বলছে, রাজ্য পুলিশের বেশ কয়েকজন সিনিয়র অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল অর্পিতার।কয়েক জন রাজনীতিক এবং তাঁদের সচিবদের সঙ্গেও পরিচয় করেছিল অর্পিতা। প্রসঙ্গত, গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ধৃত জ্যোতিও এদেশের প্রভাবশালীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টায় ছিল, তাহলে কি সেই জ্যোতি-মডেলই অর্পিতার জন্য তৈরি করছিল পাকিস্তানি পক্ষ! প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। এদিকে, হামিমের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের খোঁজে রয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে উঠে এসেছে হামাদ, আবিদ জাট নামে কিছু নাম, মনে করা হচ্ছে এরা পাকিস্তানি হ্যান্ডেলার।
{{/usCountry}}