এনডিএর অন্তর্গত হতে চেয়ে তৃণমূলের ২০ সাংসদ ইতিমধ্যেই লোকসভার স্পিকারের কাছে দিয়েছেন চিঠি। যে মুহূর্তে ইন্ডি জোটের মিটিংএ দিল্লিতে হাজির রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক সেই সময়ই দিল্লির রাজনীতিতে ঝড় তুলে কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ তৃণমূলের ২০ সাংসদ এনডিএর সঙ্গে এক রাস্তায় চলার আর্জি জানিয়েছেন। এদিকে, ঘাসফুলের অন্দরের রাজনীতিতে দিল্লি যখন সরগরম, তখন রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম,ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন বলে খবর। একাধিক মিডিয়া রিপোর্টের দাবি এই সাক্ষাৎ বিধানসভায় হয়।

তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে থাকা সন্দীপন সাহার সঙ্গে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে মঙ্গলবার যান ফিরহাদ হাকিম। দু’জনের কী কথা হয়েছে তাঁদের, তা এখনও জানা যায়নি। তবে দিল্লিতে যখন মঙ্গলের দুপুরে তৃণমূলের সংসদীয় দলে বিরাট ফাটল দেখা দিতে শুরু করেছে, তখনই এই ঘটনা ঘটে যায়, বলে জানা যাচ্ছে। এই বৈঠক নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বা ফিরহাদ হাকিমের তরফে কোনও মন্তব্য উঠে আসেনি।
এদিকে,তৃণমূলের সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের ইস্তফা নিয়ে মুখ খোলেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, ‘সুখেন্দুদার কথায় আমরা সহমত। গণতান্ত্রিক দেশে মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার আছে। ইচ্ছার ঐক্য আজ দিল্লি অবধি পৌঁছেছে।’ এদিকে, সুখেন্দু শেখর রায় আরজিকর ইস্যু সহ বিভিন্ন বিষয়ে হয়েছেন সরব। অন্যদিকে, দলের পরিস্থিতি নিয়ে ঋতব্রত বলেন, ‘সুখেন্দুদা যা বাস্তব, তা বলেছেন।… এই সংখ্যা আরও বাড়বে। ইচ্ছা সংক্রামিত হচ্ছে। কলকাতা-দিল্লির দূরত্ব দেখুন।’ ঋতব্রত বলেন, ‘আজ ধৈর্য ধরে দেখুন এক ঘণ্টা, দুই ঘণ্টা বাদে কী হবে। প্রলয় বন্ধ হয় না। শিক্ষা নেবেন কিনা সেটাই দেখার।’ এদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনোনীত তৃণমূল পরিষদীয় নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।