...
...
Next Story

দল ছাড়ার হিড়িক-কার্যালয় ভাঙচুর! প্রার্থী ঘোষণা হতেই BJP-তে 'বিদ্রোহের আগুন', চরম অস্বস্তিতে...

এবার মহিষাদল বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি এবার প্রার্থী করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী সুভাষ পাঁজাকে। একেবারে নতুন মুখ।

Published on: Mar 17, 2026, 23:31:24 IST
Advertisement

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল সাজাতে কোমর বেঁধে নেমেছে বিজেপি। সোমবার দুপুরে দিল্লি থেকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে বাংলায় গেরুয়া শিবিরের সমীকরণ। রাজ্যের ১৪৪টি আসনের প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় একাধিক পুরানো পদ্ম বিধায়কের উপরেই আস্থা রেখেছে দল। যদিও এমন কিছু আসন রয়েছে যেখানে নতুন মুখ আনা হয়েছে। আর এই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই বঙ্গ বিজেপির অন্দরে 'বিদ্রোহ' মাথাচাড়া দিয়েছে। জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে অশান্তি। কোথাও প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় দল ছাড়ার হিড়িক আবার কোথাও বিজেপি অফিসে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। যা নিয়ে রীতিমতো অস্বস্তিতে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব।

মহিষাদলে বিজেপি ছাড়ার হিড়িক

প্রার্থী ঘোষণা হতেই BJP-তে 'বিদ্রোহের আগুন'
প্রার্থী ঘোষণা হতেই BJP-তে 'বিদ্রোহের আগুন'

পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল কেন্দ্রকে ঘিরে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত। এবার মহিষাদল বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি এবার প্রার্থী করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী সুভাষ পাঁজাকে। একেবারে নতুন মুখ। তাঁর নাম ঘোষণা হতেই দল ছাড়ার ঘোষণা করেন তমলুক সাংগঠনিক জেলা সদস্য বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহিষাদল মণ্ডল ৫ এর সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার জানার। প্রার্থী পছন্দ না হওয়াতেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন দুই বিজেপি নেতা। শুধু তাই নয়, দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, 'বিজেপি দলটি কর্পোরেট সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। আমি কোনও সংস্থার কর্মচারী হতে চাই না। দলের সঙ্গে আর কোনও সম্পর্ক নেই। সবাইকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।' অন্যদিকে, আরও অনেকে দল ছাড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দীপক কুমার জানা। তাঁর দাবি, 'আরেকটু অপেক্ষা করুন, আরও অনেকেই পদত্যাগ করবেন। শুধু মহিষাদল নয়, নন্দীগ্রাম, হলদিয়া তমলুক জেলা এবং রাজ্যের বহু পদাধিককারী পদত্যাগ করবে।' বলে রাখা ভালো, গত ২০২১ সালে মহিষাদল বিধানসভায় বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।

উত্তরবঙ্গেও একই ছবি

শুধু আলিপুরদুয়ার নয়, প্রার্থী ঘোষণার পর কুমারগ্রামেও ক্ষোভ দেখা গেছে। স্থানীয় স্তরে অভিযোগ, যাঁকে টিকিট দেওয়া হয়েছে তাঁর ভাবমূর্তি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কুমারগ্রামের প্রার্থী মনোজ কুমার ওরাওকে তোলাবাজ বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন জেলা পরিষদের বিরোধী দলনেত্রী কল্পনা নাগ। সব মিলিয়ে প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্য বিজেপির অন্দরে চাপা অসন্তোষ ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে। তাই সাংগঠনিকভাবে দুর্বল থাকা বঙ্গ বিজেপির কাছে এবারের বিধানসভা নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই যেভাবে অসন্তোষ ছড়াচ্ছে তাতে রীতিমতো আরও অস্বস্তিতে দল। এই পরিস্থিতি সামাল দিয়ে নির্বাচনী লড়াই কতটা সংগঠিতভাবে চালানো যাবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe