সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে তুমুল উষ্মাপ্রকাশ করলেন আরজি করের নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে নির্যাতিতার বাবা দাবি করেন, আরজি কর মেডিক্যাল ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের মামলায় বড়সড় ষড়যন্ত্র আছে। তাই আরও তদন্ত প্রয়োজন। সেই রেশ ধরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ‘মূর্খ’ বলেও উল্লেখ করেন আরজি করের নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা। তিনি দাবি করেন, পুরো ষড়যন্ত্রের পিছনে রাজ্য সরকারও আছে। প্রথম দিন থেকেই রাজ্য পুরো বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এমনকী পুরো ঘটনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমদের বিরুদ্ধে তাঁদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণও আছে বলে দাবি করেছেন আরজি করের নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা।

এরকম 'মূর্খ' সিবিআই দেশের এজেন্সি? বিরক্ত নির্যাতিতার বাবা
ওই সংবাদসংস্থার সাক্ষাৎকারে নির্যাতিতার বাবা বলেন, '(কলকাতা) হাইকোর্ট এত বোকা নয় যে এই মামলাটা একদিন শুনেই সিবিআইয়ের মতো মূর্খের হাতে মামলা তুলে দেবে। এরকম মূর্খ সিবিআই যে আমাদের দেশের তদন্তকারী এজেন্সি, সেটার জন্য আমরা ব্যথিত।'
সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিরক্তি প্রকাশ বাবার
সেই রেশ ধরে ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘যে চুরি করেছে, সে সামনে এসে বলবে যে চুরি করেছে? যাঁরা ষড়যন্ত্র করে আমার মেয়েকে হত্যা করেছে, তাঁরা কি সামনে এসে বলবেন নাকি যে আমরা মেরেছি? (সিবিআইয়ের মতো) তদন্তকারী এজেন্সিকে (আরজি কর মামলার তদন্তভার দিয়ে) হাইকোর্ট বড় ভুল করেছে।’
সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, কলকাতা পুলিশও ঠিকমতো আরজি কর মামলার তদন্ত করেনি। সিবিআইও তদন্ত করছে না ঠিকভাবে। সেই পরিস্থিতিতে আদালতের উপরে ভরসা রাখছেন তাঁরা। হাইকোর্টে শুনানি হলে সবাইকে জবাবদিহি করতে হবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন আরজি করের নির্যাতিতার বাবা।
কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আইনজীবীর
একইসুরে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী দাবি করেছেন, পুরো ঘটনায় কলকাতা পুলিশ জড়িত থাকতে পারে। ইচ্ছাকৃতভাবেই পুলিশ ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেনি বলে দাবি করেছেন পরিবারের আইনজীবী। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, আসল দোষীকে বাঁচানোর জন্য একমাত্র সামনে আনা হতে পারে সঞ্জয় রায়কে। যে সঞ্জয়কে ইতিমধ্যে দোষীসাব্যস্ত করেছে নিম্ন আদালত। আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
{{/usCountry}}একইসুরে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী দাবি করেছেন, পুরো ঘটনায় কলকাতা পুলিশ জড়িত থাকতে পারে। ইচ্ছাকৃতভাবেই পুলিশ ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেনি বলে দাবি করেছেন পরিবারের আইনজীবী। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, আসল দোষীকে বাঁচানোর জন্য একমাত্র সামনে আনা হতে পারে সঞ্জয় রায়কে। যে সঞ্জয়কে ইতিমধ্যে দোষীসাব্যস্ত করেছে নিম্ন আদালত। আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
{{/usCountry}}তিনি দাবি করেন, সিবিআইয়ের যেভাবে তদন্ত করা উচিত ছিল, সেভাবে করেনি। যে এএসআই অনুপ দত্তকে অন্যতম সন্দেহভাজন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, তিনি জামিন পেয়ে গিয়েছেন। প্রতিটি স্টেটাস রিপোর্টে সিবিআই জানিয়ে আসছে যে তারা তদন্ত করছে। কিন্তু নির্দিষ্টভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সির তরফে কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি করেন নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী।