RG Kar Case Latest Update: আরজি কর মামলার তদন্ত ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার শিয়ালদহ আদালতে উপস্থিত হয়ে নির্যাতিতার বাবা সিবিআইয়ের আইনজীবী ও তদন্তকারী অফিসারের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, আদালতে কী বলতে হবে এবং কী বলা যাবে না, তা আগেভাগেই তাঁদের শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আদালতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নির্যাতিতার বাবা বলেন, গত ১১ জানুয়ারি প্রথমবার তাঁকে আদালত কক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছিল। তার আগে কখনও আদালতে ঢোকার সুযোগ পাননি বলে দাবি করেন তিনি। সেই সঙ্গে সিবিআইয়ের আইনজীবী অনুরাগী মোদীর আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতে তিনি নির্মল ঘোষের আইনজীবীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতে এবং আশ্বাস দিতে দেখেছেন। সেই ঘটনার উল্লেখ করে সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজার বিরুদ্ধেও সরব হন নির্যাতিতার বাবা। তাঁর দাবি, তদন্ত চলাকালীন তাঁদের বাড়িতে গিয়ে সীমা পাহুজা নির্দিষ্ট বক্তব্য আদালতে রাখতে বলেছিলেন। এর বাইরে কিছু বলা হলে মূল অভিযুক্ত সঞ্জয়কে আটক রাখা সম্ভব হবে না বলেও নাকি সতর্ক করা হয়েছিল। ভয় দেখিয়ে তাঁদের বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে সিবিআইয়ের আইনজীবী পার্থ দত্তর বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ তোলেন নির্যাতিতার পরিবার।
এদিকে, এদিন আদালতে সিবিআই তাদের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সূত্রের খবর, ওই রিপোর্টে হাসপাতাল এবং পুলিশের কলরেকর্ড খতিয়ে দেখার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে নির্যাতিতার আইনজীবী ফের দাবি করেন, প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-কে তদন্তের আওতায় আনা হোক। তবে সিবিআই আদালতে জানায়, এই তিনজনের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।
{{/usCountry}}এদিকে, এদিন আদালতে সিবিআই তাদের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সূত্রের খবর, ওই রিপোর্টে হাসপাতাল এবং পুলিশের কলরেকর্ড খতিয়ে দেখার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে নির্যাতিতার আইনজীবী ফের দাবি করেন, প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-কে তদন্তের আওতায় আনা হোক। তবে সিবিআই আদালতে জানায়, এই তিনজনের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।
{{/usCountry}}নির্যাতিতার মা-ও এদিন ঘটনার দিনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রথমে মেয়ের অসুস্থতার খবর দেওয়া হলেও পরে আত্মহত্যার কথা বলা হয়। হাসপাতালে পৌঁছেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল এবং মেয়েকে দেখতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তির ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন নির্যাতিতার মা। উল্লেখ্য, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ‘আরজি কর ফাইলস’ পুনরায় খোলা হয়েছে এবং তদন্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে।