RG Kar: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকে ঘিরে ফের নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভবনের ভিতরে মদ্যপান ও পার্টি করার অভিযোগ উঠেছে। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার জন্য। তবে তা প্রকাশ্যে আসতেই হাসপাতালের প্রশাসনিক ভূমিকা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালের ক্যাজুয়াল্টি ভবনের পাঁচতলার একটি ঘরে কয়েক জন ব্যক্তি বসে আড্ডা দিচ্ছেন। তাঁদের সামনে প্লাস্টিকের গ্লাসে রঙিন পানীয় এবং খাবারের প্যাকেটও দেখা যায়। অভিযোগ, ওই ঘরেই মদের আসর বসেছিল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, জরুরি বিভাগের উপরে অস্থিশল্য বিভাগের একটি কক্ষেই এই ঘটনার ভিডিয়ো রেকর্ড করা হয়েছিল।
ভিডিয়োতে যাঁকে দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তিনি হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের সুপারভাইজার রঞ্জিত গোঁসাই। বর্তমানে তিনি ফেসিলিটি ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন। অভিযোগ, কয়েক জন পরিচিত ব্যক্তিকে নিয়ে তিনি ওই ঘরে বসে মদ্যপান এবং পরে খাবারের আয়োজন করেছিলেন। ভিডিওতে তাঁকে নিজেকে তৃণমূলের এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচয় দিতে শোনা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযুক্ত রঞ্জিত গোঁসাইয়ের দাবি, সেটি তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে একটি ছোট অনুষ্ঠান ছিল। তবে গ্লাসে কী ছিল বা ঠিক কোথায় অনুষ্ঠান হয়েছিল, তা তাঁর মনে নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন।
এই ঘটনা সামনে আসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের মেডিক্যাল সুপার তথা উপাধ্যক্ষ সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অভিযুক্ত কর্মী নাকি দাবি করেছে যে ঘটনাটি কয়েক বছর আগের। তা সত্ত্বেও বিষয়টি সামনে আসার পর তাঁকে ফেসিলিটি ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ইউরোলজি বিভাগে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী হিসেবে বদলি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
{{/usCountry}}এই ঘটনা সামনে আসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের মেডিক্যাল সুপার তথা উপাধ্যক্ষ সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অভিযুক্ত কর্মী নাকি দাবি করেছে যে ঘটনাটি কয়েক বছর আগের। তা সত্ত্বেও বিষয়টি সামনে আসার পর তাঁকে ফেসিলিটি ম্যানেজারের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ইউরোলজি বিভাগে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী হিসেবে বদলি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
{{/usCountry}}উল্লেখযোগ্যভাবে, যে ইমার্জেন্সি ভবনকে ঘিরে এই বিতর্ক, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট সেই একই ভবনে কর্তব্যরত অবস্থায় এক তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটেছিল। ফলে নতুন এই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতালের পরিবেশ ও প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে ফের তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।