আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নিয়ে ফের সরব হয়েছেন চিকিৎসক ও তৃণমূল নেতা ডঃ শান্তনু সেন। এই ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তির যোগসূত্র এবং তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সম্প্রতি। তাঁর বক্তব্য, এতদিন পরেও গোটা ঘটনার বহু গুরুত্বপূর্ণ দিক স্পষ্ট হয়নি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও একাধিক প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে।

প্রাক্তন রাজ্যসভার সদস্য দাবি করেন, একা সঞ্জয় রায়ের পক্ষে এই ঘটনা ঘটানো সম্ভব হত না। সাংবাদিক সুমন চট্টোপাধ্যায়ের পডকাস্টে তিনি বলেন, 'একা সঞ্জয় রায় এই কাজ করতে পারে না। একই সঙ্গে গলা টিপে, মুখ-নাক বন্ধ করে কেউ নির্যাতিতার পোশাক খুলতে পারে না, কেউ তাঁর দুই পা দুদিকে নিয়ে যেতে পারে না। বলা হচ্ছে, ঘটনার সময় নির্যাতিতা অজ্ঞান ছিলেন। তবে সঞ্জয়ের শরীরে নোখের আঁচর রয়েছে। আত্মরক্ষা করতে গেলে যেমন ক্ষত হয়, তা রয়েছে নির্যাতিতার শরীরে।' এদিকে সরাসরি সন্দীপ ঘোষের দিকে আঙুল তুলে তৃণমূল নেতা ইঙ্গিত করেন, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষের 'লালসার' শিকার হয়ে থাকতে পারেন অনেকেই। তিনি আরও দাবি করেন, সন্দীপ ঘোষ এবং সেই সময় আরজি করে চলতে থাকা যাবতীয় দুর্নীতি নিয়ে স্বাস্থ্য দফতর এবং মুখ্যমন্ত্রীর অফিসে তিনি তথ্যপ্রমাণ জমা করেছিলেন। এছাড়া উত্তরবঙ্গ লবির ডঃ এসপি দাস, অভীক দে, বীরূপাক্ষদের নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন শান্তনু সেন।
শান্তনু সেন আরও দাবি করেছেন, আরজি কর কাণ্ডে বিভিন্ন স্তরে যাঁদের নাম উঠে এসেছে, তাঁদের ভূমিকা নিয়ে এখনও বিস্তারিতভাবে প্রকাশ্যে কিছু জানা যায়নি। তিনি বলেন, ঘটনার পর বহু তথ্য সামনে এলেও তদন্তের বেশ কিছু দিক এখনও ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কারা কার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং কীভাবে পুরো ঘটনাপ্রবাহ এগিয়েছে, সেই বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা এখনও পাওয়া যায়নি।
{{/usCountry}}শান্তনু সেন আরও দাবি করেছেন, আরজি কর কাণ্ডে বিভিন্ন স্তরে যাঁদের নাম উঠে এসেছে, তাঁদের ভূমিকা নিয়ে এখনও বিস্তারিতভাবে প্রকাশ্যে কিছু জানা যায়নি। তিনি বলেন, ঘটনার পর বহু তথ্য সামনে এলেও তদন্তের বেশ কিছু দিক এখনও ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কারা কার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং কীভাবে পুরো ঘটনাপ্রবাহ এগিয়েছে, সেই বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা এখনও পাওয়া যায়নি।
{{/usCountry}}শান্তনু সেন আরও বলেন, সাধারণ মানুষ এখনও এই ঘটনার পূর্ণ সত্য জানতে চান। তাঁর মতে, শুধু কিছু তথ্য প্রকাশ্যে এলেই হবে না, গোটা ঘটনার সমস্ত যোগসূত্র স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে আরও স্বচ্ছতা প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের ঘটনায় মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে তদন্তের প্রতিটি ধাপ পরিষ্কারভাবে সামনে আনা জরুরি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে এখনও রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সময় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে তদন্ত প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক ভূমিকা এবং ঘটনার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের নিয়ে। সেই আবহেই শান্তনু সেনের এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার সব দিক সামনে না আসা পর্যন্ত মানুষের সংশয় কাটবে না।