...
...
Next Story

RG Kar Sandip Ghosh Irregularities: আরজি কর দুর্নীতিতে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মামলায় অনুমতি রাজ্যের, এত বছর তা দেননি মমতা

সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় আইনি বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমতি দিয়ে দেওয়া হল। বিগত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই অনুমতি দেয়নি। তবে নয়া সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে সিবিআই বা ইডি এবার সন্দীপের বিরুদ্ধে আদালতে পূর্ণাঙ্গ আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে।

Published on: May 19, 2026, 08:38:44 IST
Advertisement

RG Kar Sandip Ghosh Irregularities: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় আইনি বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমতি দিয়ে দেওয়া হল। বিগত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সেই অনুমতি দেয়নি। তবে নয়া সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে সিবিআই বা ইডি এবার সন্দীপের বিরুদ্ধে আদালতে পূর্ণাঙ্গ আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে।

নয়া সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে সিবিআই বা ইডি এবার সন্দীপের বিরুদ্ধে আদালতে পূর্ণাঙ্গ আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে।
নয়া সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে সিবিআই বা ইডি এবার সন্দীপের বিরুদ্ধে আদালতে পূর্ণাঙ্গ আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে।

এই নিয়ে ১৮ মে রাতে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, 'আজ আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একটি মহতী ও সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। গত ৯ই অগস্ট ২০২৪ সালে আর.জি.কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বোন অভয়ার নৃশংস খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় তৎকালীন আর.জি. কর-এর সুপার কুখ্যাত সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আইনি পদ্ধতি অনুযায়ী ইডি কে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে দোষী সাব্যস্ত করার অনুমতি প্রদান করা হল। বিগত তৃণমূল কংগ্রেস সরকার জোরপূর্বক ও অনৈতিকভাবে এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন আটকে রেখেছিল। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। সত্যকে চাপা দিয়ে রাখা যায় না। আমি চাই, বোন অভয়ার প্রকৃত দোষীরা দ্রুত চিহ্নিত হোক, কঠোরতম শাস্তি পাক এবং বাংলার মানুষ ন্যায়বিচার প্রত্যক্ষ করুক। বোন অভয়ার আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।'

যদিও এবার রাজ্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের তরফ থেকে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় 'প্রসিকিউশন স্যাংশন' প্রদান করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্ট গত ২০২৪ সালের ২৩ অগস্টের একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি করা আদেশে এই বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe