Riju Dutta on Abhishek attack: মুখের কারণেই মার খান অভিষেক, দাবি ১ মাস আগে TMC-তে থাকা নেতার, ‘১০০০-১৫০০ লাশ…’
Riju Dutta on Abhishek Banerjee attack: মুখের কারণেই সোনারপুরে মার খেয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি করলেন এক মাস আগে তৃণমূলে থাকা নেতা। প্রশংসা করলেন শুভেন্দু অধিকারীদের।
Riju Dutta on Abhishek Banerjee attack: নিজের মুখের ভাষার জন্যই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছে - এমনই মনে করছেন ঋজু দত্ত। সোনারপুরে তৃণমূল কংগ্রেস সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে যে মারধরের ঘটনা, ডিম-হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার প্রেক্ষিতে ঋজু দাবি করেছেন যে ভোটের প্রচারের সময় যেরকম ভাষা ব্যবহার করেছিলেন অভিষেক, তা ভালোভাবে নেননি সাধারণ মানুষ। ভাষা-সন্ত্রাসের বিষয়টি ভালো চোখে দেখেননি বলে দাবি করেছেন ঋজু। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, অভিষেকের উপরে হামলার ঘটনাকে যে এখন ‘জনরোষ’ বলা হচ্ছে, তা তৎকালীন বিজেপি সভাপতি জে পি নড্ডা, বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর উপরে হামলার সময় বলেছিল তৃণমূল।

অভিষেকের মুখের ভাষার সমালোচনায় ঋজু
অভিষেককে হেনস্থার ঘটনার নিন্দা করে তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত নেতা দাবি করেন, ‘এরকম হামলা কোনও সভ্য সমাজে হতে পারে না এবং এর সমর্থনও কেউ করতে পারেন না। এটা হয় না। কিন্তু তার সঙ্গে এটাও বলতে হবে যে ভোট চলাকালীন যে মন্তব্য রাখা হয়েছিল, যে ভাষা-সন্ত্রাস হয়েছিল, চার তারিখের পরে ডিজে বাজবে, বিরোধীদের জন্য একটা চুল্লি তৈরি করা হবে। দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়াকে চ্যালেঞ্জ করা - (এই বিষয়গুলিকে) কোনও মানুষ ভালো চোখে দেখেননি। অনেকগুলো কারণ মিলিয়ে বাংলাজুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে মানুষের একটা চূড়ান্ত রাগ, চূড়ান্ত ক্ষোভ জন্মেছে।’
মৃত্যুও হতে পারত অভিষেকের, দাবি ঋজুর
পাশাপাশি তিনি এটাও বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলছি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে। আপনারা সবাই সেই ভিডিয়োটা দেখেছেন, যেখানে হলুদ টি-শার্ট পরা একটা ছেলে যে ইট ছুড়েছিল, যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হেলমেট না পরে থাকতেন বা হেলমেটের ফাঁক দিয়ে যদি (ইটটা) ঢুকে যেত, তাহলে চোখটা তো যেতই। মৃত্যুও হতে পারত।’
'তৃণমূলের ১,০০০-১,৫০০ লাশ পড়ে যেত'
সেই রেশ ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন ঋজু। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল যদি ক্ষমতায় আসত, তাহলে এতদিনে বিজেপির '১,০০০ লাশ পড়ে যেত'। আর ‘কঠোরভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সেটা যদি অক্ষরে-অক্ষরে শুভেন্দু অধিকারী এবং শমীক ভট্টাচার্য পালন না করতেন, তাঁরা যদি বদলার পথে হাঁটতেন, তাহলে এতদিনে তৃণমূল কংগ্রেসেরও ১,০০০-১,৫০০ লাশ পড়ে যেত।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


