...
...
Next Story

TMC Clash: নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ! চার্টার্ড সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সরব ঋতব্রত, জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে সংঘাত তুঙ্গে

Ritabrata Banerjee Affidavit: ২৬ অক্টোবরই নির্বাচন কমিশনে নথি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। আগামী ৩০ অক্টোবর দুই তৃণমূলকেই মুখোমুখি বসিয়ে তাদের কথা শুনবে কমিশন। সেই অনুযায়ীই সিদ্ধান্ত হবে যে কে আসল তৃণমূল!

Published on: Oct 26, 2026, 12:07:22 IST
Advertisement

Ritabrata Banerjee Affidavit: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ব্যবহারের অধিকার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবিরের আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই এবার পৌঁছাল নির্বাচন সদনে। দুই যুযুধান গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের জটিলতা মেটাতে আগামী ৩০ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ৩টেয় উভয় পক্ষকেই দিল্লিতে তলব করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। এর মধ্যেই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার ‘চার্টার্ড সংস্কৃতি’ ও সদস্যপদের হলফনামা ছিনতাইয়ের গুরুতর অভিযোগ তুলে নতুন করে সোচ্চার হয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)।

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Neeraj )
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Neeraj )

আজ, ২৬ অক্টোবরই নির্বাচন কমিশনে নথি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। আগামী ৩০ অক্টোবর দুই তৃণমূলকেই মুখোমুখি বসিয়ে তাদের কথা শুনবে কমিশন। সেই অনুযায়ীই সিদ্ধান্ত হবে যে কে আসল তৃণমূল! কার কাছে তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক থাকবে। তার আগেই কমিশন ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে কর্মীদের এফিডেভিট বা হলফনামা দিল্লি নিয়ে যাওয়া কেন্দ্র করে বেঁধেছে ধুন্ধুমার কাণ্ড। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় কালিঘাট শিবিরের (মমতাপন্থী) হলফনামা ও নথি দিল্লিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিশেষ চার্টার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। অন্যদিকে, তাঁদের শিবিরের সংগ্রহ করা বিশাল পরিমাণ হলফনামা ২৪ অক্টোবর সকাল থেকেই সড়কপথে বাসে ও ট্রাকে করে দিল্লির উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।

কী অভিযোগ করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?

সোমবার ভোররাতে হরিয়ানার কাছে ঋতব্রত শিবিরের নথি বহনকারী ট্রাকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং নথি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয় বলে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁদের কর্মীরা সাহসের সঙ্গে লড়াই করে নথি ছিনতাইয়ের সেই চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন যে এভাবে তাদের দমানো যাবে না। ঘটনার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য নির্বাচন কমিশন, দিল্লি পুলিশ, দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ এবং হরিয়ানা পুলিশকে ট্যাগ করেছেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, এই লড়াই সাধারণ তৃণমূল স্তরের মানুষের লড়াই বনাম চার্টার্ড সংস্কৃতির লড়াই। নাম না করে কার্যত কালিঘাট শিবিরকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি।

দুই শিবিরের বিরোধে নতুন মাত্রা

এদিকে আবার ঋতব্রত শিবিরের নেতা কোহিনূর মজুমদার বলেন, 'ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে বলেছিল নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ওঁদের সঙ্গে রয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা পর পরচুলা, বিউটি পার্লার বলতে শুরু করেছে। ভেরি মাচ ক্লু-লেস। কর্মীরা এফিডেভিট সংগ্রহ করেছে, সেটা আমরা জমা করার চেষ্টা করছি। অন্যন্ত ক্ষুদ্রতম প্রচেষ্টা এটা। আজ কোনও কিছু করতে না পেরে, এইভাবে দখল করার চেষ্টা করছে।'

সব মিলিয়ে, আগামী ৩০ অক্টোবর নির্বাচন সদনে দুই শিবিরের উপস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশের ও রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks