Hilsa Fish Shortfall: ৭০০০০ টন থেকে কমে ২৫০০০ টন! খারাপ আবহাওয়ায় ইলিশ ধরাই গেল না, ছ্যাঁকা লাগছে দামে

Hilsa Fish Shortfall: খারাপ আবহাওয়া ও ঘন-ঘন নিম্নচাপের জেরে চলতি মরশুমে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ইলিশের জোগানে ভয়াবহ ধস। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭০ হাজার টনের জায়গায় উৎপাদন মাত্র ২০-২৫ হাজার টন। সেই পরিস্থিতিতে বাজারে বাড়ছে ইলিশের দাম।

Published on: Aug 21, 2026, 18:55:37 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Hilsa Fish Shortfall: বর্ষার সময় বাঙালির পাতে টাটকা ইলিশ না থাকলে খাওয়াটাই যেন জমে না। কিন্তু চলতি মরশুমে ভোজনরসিক বাঙালিদের পাতে রূপোলি শস্যের আকাল দেখা দিচ্ছে। কারণ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় জুলাই-অগস্টে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ইলিশের জোগান তলানিতে ঠেকেছে। দফায়-দফায় নিম্নচাপ, প্রবল বৃষ্টি এবং সমুদ্রে প্রতিকূল আবহাওয়া বা জলোচ্ছ্বাসের কারণে মৎস্যজীবীদের স্বাভাবিক মাছ ধরার কাজ ব্যাহত হয়েছে। ইলিশ ধরার জন্য ঠিকমতো জলেই যেতে পারেননি তাঁরা। আর তার প্রভাব পড়েছে পাইকারি এবং খুচরো বাজারে। ভরা মরশুমে ইলিশে হাত ঠেকালেই ছ্যাঁকা লাগছে দামের।

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ইলিশ কম ধরা পড়েছে। (ফাইল ছবি)
প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ইলিশ কম ধরা পড়েছে। (ফাইল ছবি)

গভীর সমুদ্রে যাওয়া যায়নি, বলেছেন মৎস্যজীবীরা

কাকদ্বীপ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির এক সদস্য বিজন মাইতি জানিয়েছেন যে, চলতি বছর জুন থেকে অগস্টের মধ্যে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মৎস্যজীবীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে অধিকাংশ ট্রলারই নির্ধারিত সময়ে গভীর সমুদ্রে যেতে পারেনি। আবার যেগুলি গিয়েছে, তা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে মাঝপথ থেকেই ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন: Annapurna Yojana Protests: অন্নপূর্ণা-বঞ্চিতদের বিক্ষোভ রাজ্যজুড়ে! বৈঠক ফেলে উঠে আসলেন মন্ত্রী, বিরাটিতে রেললাইন অবরোধ

হাতে ছ্যাঁকা লাগছে বাজারে

সাধারণত ইলিশ মাছ ধরার মরশুম সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকে। কিন্তু জুন থেকে অগস্টের এই স্বর্ণালী সময়েই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মৎস্যজীবীদের অধিকাংশ সময় সমুদ্র থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। তাতে জোগান কমেছে ইলিশের। বাজারের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো স্থানীয় ইলিশ না থাকায় দাম বেড়েছে রূপোলি শস্যের।

আরও পড়ুন: UPSC Civil Services Success Story: মাধ্যমিকে ৬০%, UPSC-তে ৩ বার 'ফেল', তারপর দেশে তৃতীয় হয়ে IAS অফিসার হলেন জুনেদ

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন, ইলিশের জন্য হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত অত্যন্ত অনুকূল। কিন্তু চলতি মরশুমে হালকা বৃষ্টির পরিবর্তে একের পর এক নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। চলেছে ভারী বৃষ্টি। সেইসঙ্গে সমুদ্রের উত্তাল পরিস্থিতি মাছ ধরার পরিবেশকে ব্যাহত করেছে। বিজনের কথায়, ‘ট্রলারগুলো প্রয়োজনীয় সংখ্যক দিন সমুদ্রে থাকতেই পারেনি। এর ফলে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম মাছ ধরা গিয়েছে।’

আরও পড়ুন: Jadavpur University Clash: থানায় লিখিত অভিযোগ, তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি! যাদবপুরকাণ্ডে পাল্টা বামেদের নিশানা ABVPর

আগেরবারের থেকে ইলিশের জোগান মুখ থুবড়ে পড়েছে

সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সমস্যা কেবলমাত্র মাছ ধরার দিনের সংখ্যা কমে যাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; কারণ আবহাওয়া এবং সমুদ্র ও নদীর পরিস্থিতির পরিবর্তনও উপকূলীয় ও মোহনা অঞ্চলের দিকে ইলিশের চলাচলের ওপর প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেই পরিস্থিতিতে গত বছর যেখানে এই সময়ের মধ্যে ৭০,০০০ টন ইলিশ ধরা হয়েছিল, এবার সেটা কমে ২০,০০০-২৫,০০০ টনে ঠেকেছে বলে জানিয়েছেন কাকদ্বীপ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সদস্য।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More