Priyadarshini Mallick Canteen Bill News: ১ বছরেই ক্যান্টিনের বিল ১ কোটি টাকা উচ্চমাধ্যমিক সংসদে! বালুর মেয়ের নামে অভিযোগ
Priyadarshini Mallick Canteen Bill News: ১ বছরেই ক্যান্টিনের বিল ১ কোটি টাকা - অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের বালু) মেয়ে প্রিয়দর্শিনীর বিরুদ্ধে। যিনি উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সদ্য প্রাক্তন সচিব।
Priyadarshini Mallick Canteen Bill News: এক বছরেই নাকি ক্যান্টিনের বিল ১,০০,০০,০০০ টাকা (এক কোটি টাকা)। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সদ্য প্রাক্তন সচিব প্রিয়দর্শিনী মল্লিকের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ উঠেছে বলে সংবাদমাধ্যম টিভি নাইন বাংলার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে তাঁর পরিচয় শুধুমাত্র উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন সচিব নয়, বরং তিনি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের বালু) মেয়ে হলেন প্রিয়দর্শিনী। ফলে স্বভাবতই আরও হইচই শুরু হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, কীভাবে ক্যান্টিনের খরচ এত হতে পারে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে অভিযোগ জমা পড়েছে। আর সেই খরচের বিষয়টি স্বীকারও করেছেন সংসদের প্রাক্তন সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। তিনি দাবি করেছেন, তদন্ত হলে যা যা বলার আছে, সব বলে দেবেন। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে পালটা সভাপতির দিকেই আঙুল তুলেছেন প্রিয়দর্শিনী।

সংসদের সচিব পদ থেকে প্রিয়দর্শিনীকে সরিয়েছে শুভেন্দু সরকার
এমনিতে প্রিয়দর্শিনী দীর্ঘদিন সংসদের সচিব ছিলেন। এবার যে উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, সেখানেও প্রিয়দর্শিনীর নাম ছিল। কিন্তু কয়েকদিন পরেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সচিব পদ থেকে। শুভেন্দু অধিকারী সরকার নির্দেশ দেয় যে তাঁকে পুরনো কর্মস্থলে ফিরে যেতে হবে। সেইমতো এখন পুরনো কর্মস্থলেই ফিরে গিয়েছেন প্রিয়দর্শিনী। তারইমধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ উঠেছে।
বিল নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন, দাবি প্রাক্তন সভারতির
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে ক্যান্টিনের বিল এক কোটি টাকা ছুঁয়েছে, সেটি বিভিন্ন কর্মসূচির দায়িত্ব পেয়েছিল। আর বিলের অঙ্কটা যে এরকম স্তরে পৌঁছে গিয়েছিল, তা স্বীকারও করে নিয়েছেন সংসদের প্রাক্তন সভাপতি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের একেবারে শেষলগ্নে সেই দায়িত্ব ছাড়েন)। তিনি দাবি করেছেন, বিলের অঙ্ক এতটা হওয়ায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে ফাইনান্স অফিসারের সঙ্গেও কথা হয়েছিল। পরবর্তীতে নতুন করে টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হলে তাতে সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন সভাপতি।
সর্বোচ্চ পদে তো সভাপতি, পালটা যুক্তি প্রিয়দর্শিনীর
যদিও পুরো দায়ভার সংসদ সভাপতির ঘাড়েই চাপিয়েছেন প্রিয়দর্শিনী। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি দাবি করেছেন যে সংসদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেখেছেন যে আগে থেকেই একটি সংস্থাকে বরা দেওয়া হয়। অথচ চুক্তির কোনও কাগজপত্র ছিল। তাছাড়াও সবকিছুর শেষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন সভাপতি। সংসদে তিনিই সর্বোচ্চ পদে আছেন। বলে সভাপতিই জানেন যে কেন ওই সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়েছিল।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


