Adani Investment in Bengal: বাংলায় আরও ২৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ আদানিদের! পুজোর আগেই শিলান্যাস মেগা প্রকল্পের
Adani Investment in Bengal: পশ্চিমবঙ্গে আরও ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চলেছে আদানি গোষ্ঠী। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর সাক্ষাৎ হয়েছে। দুর্গাপুজোর আগেই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস হতে পারে।
Adani Investment in Bengal: নিউ টাউনে কমপক্ষে ২,৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছে আদানি গোষ্ঠী। নবান্ন সূত্রের খবর, মুম্বই এবং আমদাবাদের পরে ভারতের তৃতীয় শহর হিসেবে আদানি গোষ্ঠী নিউ টাউনে একটি 'হেলথ সিটি' তৈরি করবে। আপাতত যা পরিকল্পনা, তাতে মার্কিন একটি সংস্থার সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে ৫১ একর জমিতে সেই ‘হেলথ সিটি’ তৈরি করা হবে। যে জায়গা ইতিমধ্যে আদানিদের হাতে আছে। সেই পরিস্থিতিতে কোনওরকম বিলম্ব না করে দ্রুত কাজ এগিয়ে নিতে চাইছে আদানি গোষ্ঠী। পুজোর আগেই প্রকল্পের শিলান্যাস হয়ে যেতে পারে। যে প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ২,৫০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ করা হবে। পরবর্তীতে লগ্নির অঙ্কটা আরও বাড়তে পারে বলে সূত্রের খবর।

আদানি ‘হেলথ সিটি’ প্রকল্প
১) সূত্রের খবর, ওই 'হেলথ সিটি'-র নাম হবে আদানি আরোগ্য মন্দির। নিউ টাউন অ্যাকশন এরিয়া টু'তে সেই হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছে।
২) নবান্ন সূত্রের খবর, প্রস্তাবিত আদানি আরোগ্য মন্দিরকে সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। থাকবে ১,০০০টি বেড। তাছাড়াও মেডিক্যাল কলেজ থাকবে।
৩) আপাতত যা ঠিক আছে, তাতে ওই হাসপাতালের অর্ধেক বেডই সংরক্ষিত থাকবে সেইসব রোগীদের জন্য, যাঁদের বিনামূল্যে চিকিৎসা হবে।
৪) সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, সরকারি বা অন্যান্য বেসরকারি হাসপাতালের বিকল্প হিসেবে আদানি আরোগ্য মন্দির তৈরি করা হচ্ছে না। বরং রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যে ফাঁকফোকর আছে, তা পূরণ করতেই বিশ্বমানের সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছে বলে ওই মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে।
৫) সূত্রের খবর, তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর স্মার্ট হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলা হবে আদানি আরোগ্য মন্দিরকে।
রোবোটিক সার্জারি থেকে অত্যাধুনিক চিকিৎসা
আর মার্কিন সংস্থা মেয়ো ক্লিনিকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আদানি গোষ্ঠী সেই হাসপাতাল তৈরি করবে বলে সূত্রের খবর। এমনিতে ওই সংস্থার সঙ্গে চুক্তি আছে আদানি গোষ্ঠীর। এবার ওই দুই সংস্থা হাত মিলিয়ে নিউ টাউনে সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি করবে। যেখানে রোবোটিক সার্জারি থেকে অত্যাধুনিক বিভিন্ন চিকিৎসা করা হবে বলে ওই মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে।
'রাজ্যের বাইরে যেতে হবে না চিকিৎসার জন্য'
সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এমনভাবে ওই ‘হেলথ সিটি’ তৈরি করা হবে, যাতে চিকিৎসার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিতে না হয়। যে বিষয়টির উপরে নয়া বিজেপি সরকারও বারবার জোর দিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


