Sabyasachi Dutta ‘Torture Room’: ‘টর্চার রুম ছিল, সেখানে উলঙ্গ করে….’, সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ
Sabyasachi Dutta ‘Torture Room’: বিধাননগরের পুরনিগমের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে তোলাবাজির বিরুদ্ধে। তারইমধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। কী কী অভিযোগ তোলা হল তৃণমূল কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে?
Sabyasachi Dutta ‘Torture Room’: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সব্যসাচী দত্তকে। আর যে ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই ব্যবসায়ী মুধুসূদন চক্রবর্তী বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, বাড়ি কিনতে গেলে, বাড়ি বেচতে গেলে - সবেতেই টাকা দিতে হত সব্যসাচীকে। হুমকি দিয়ে তোলা আদায় করতেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ী। সেইসঙ্গে সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দে তিনি অভিযোগ করলেন, ‘ওঁর (সব্যসাচী দত্ত) ওয়ার্ডের (অফিসে) টর্চার চেম্বার আছে। উনি সেখানে মানুষকে নিয়ে নির্মম অত্যাচার করেন। উলঙ্গ করে তাঁদের উপরে....।’

এক টাকা নিইনি, ফাঁসিকাঠে চড়ে যাব, দাবি সব্যসাচীর
ব্যবসায়ীর সেই অভিযোগের জবাব দেওয়ার কোনও সুযোগ পাননি সব্যসাচী। তবে মঙ্গলবার সকালে আদালতে পেশের আগে সব্যসাচী দাবি করেন, পুরো সাজানো অভিযোগ করা হচ্ছে। এক কোটি টাকা কী, এক টাকাও তোলা নেননি বলে দাবি করেছেন সব্যসাচী। সেইসঙ্গে বিধাননগর পুরনিগমের প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন বিধায়ক দাবি করেন, এক টাকা নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করতে পারলে ফাঁসিকাঠে চড়ে যাবেন।
আরও পড়ুন:
ডিম, গোবর, টমেটো ছোড়া হয় সব্যসাচীর দিকে
যদিও যাঁরা বিধাননগর পুরনিগমের প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে ডিম, গোবর এবং টমেটো ছুড়েছেন, তাঁরা দাবি করেছেন, তোলা ছাড়া কিছু বুঝতেন না সব্যসাচী। তেমনই একজন অভিযোগ করেছেন, সাধারণ গরিব মানুষের উপরে ভয়াবহ অত্যাচার করতেন। টাকা তুলতেন। টাকা না তুললে হুমকি দেওয়া হত বলে অভিযোগ উঠেছেন এক বিক্ষোভকারী।
গ্রেফতারির লাইনে তৃণমূল নেতারা
এমনিতে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে একের পর এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজই তোলাবাজির অভিযোগে কলকাতা পুরনিগমের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্বামী সলিল চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠে যে তাঁরা এক বৃদ্ধের থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন ৩০ লাখ টাকা। সেইসঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে আজ ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং তাঁর স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তবে এই প্রথম কোনও তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হল না রাজ্যে পালাবদলের পরে। তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে। সেজন্য তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। যে তালিকায় আছেন ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত, ১১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডলরা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


