...
...
Next Story

Salt Lake-Ruby alternative road: চিংড়িঘাটা এড়িয়েই সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে রুবি পৌঁছাবেন! বিকল্প ৭ কিমি পথে নজর

চিংড়িঘাটা এড়িয়ে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে রুবি পর্যন্ত যাওয়ার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। সাত কিলোমিটারের একটি অংশ নবদিগন্ত কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হল। শীঘ্রই টেন্ডার ডাকা হবে বলে সূত্রের খবর।

Published on: Feb 10, 2026, 16:44:16 IST
Advertisement

চিংড়িঘাটা মোড় এবং ইএম বাইপাসের যানজট এড়িয়েই সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে পৌঁছানো যাবে রুবিতে। সেই লক্ষ্যেই সল্টলেক সেক্টর-বানতলা (বাসন্তী হাইওয়ে) সংযোগকারী সাত কিলোমিটারের একটি অংশ নবদিগন্ত কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে নিল রাজ্য সরকার। সেই রাস্তার উন্নয়নের কাজ শেষ হলে বাসন্তী হাইওয়ে দিয়ে সেক্টর ফাইভ থেকে সোজা রুবিতে পৌঁছানো যাবে। সময়ও লাগবে অনেকটাই কম। সূত্রের খবর, ওই রাস্তার উন্নয়নের জন্য কত টাকা খরচ হবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে হিসাব শুরু করেছে নবদিগন্ত কর্তৃপক্ষ। শীঘ্রই টেন্ডার ডাকা হবে বলে সূত্রের খবর।

সেক্টর ফাইভ-বাসন্তী হাইওয়ের মধ্যে যাত্রার সময় কমবে

চিংড়িঘাটা এড়িয়ে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে রুবি পর্যন্ত যাওয়ার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Metro Railways)
চিংড়িঘাটা এড়িয়ে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে রুবি পর্যন্ত যাওয়ার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে Metro Railways)

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই রাস্তা উন্নয়নের কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এবং ভেড়ির চারপাশে একটি বৃহত্তর রিং রোড তৈরি হয়ে যাবে। গাড়ি বা মোটরবাইক সল্টলেক বাইপাস, সেক্টর ফাইভ হয়ে ওই সাত কিমি অংশে প্রবেশ করবে। তারপর পরমা আইল্যান্ডের কাছে ইএম বাইপাসে মিশে যাবে। ফলে যাঁরা সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে রুবিতে যেতে চান, তাঁরা চিংড়িঘাটা মোড় এবং ইএম বাইপাসের বড় একটা অংশ এড়িয়ে যেতে পারবেন। বিশেষত সেক্টর ফাইভ থেকে বাসন্তী হাইওয়ের মধ্যে যাতায়াতের সময় প্রায় অর্ধেক হয়ে যাবে।

সাধারণ মানুষের লাভ হবে অনেক, কমবে যানজট

সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরেই সাত কিমি অংশের উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল রাজ্য সরকারের। এখন রাস্তা থাকলেও তার বেশিরভাগ অংশই কংক্রিট বা পিচের নয়। ফলে সেখান দিয়ে গাড়ি বা বাইক চালানো যায় না। কিন্তু নয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই রাস্তার মানোন্নয়ন করে সেই সাত কিমি অংশ দিয়ে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে রুবির মধ্যে যাতায়াতের একটি বিকল্প যোগসূত্র গড়ে তোলা হবে।

সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে জানানো হয়েছে, রাস্তায় দুটি লেন থাকবে। ফলে চিংড়িঘাটার মোড়ের যানজট এড়িয়ে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে যেমন রুবির দিকে আসা যাবে, তেমনভাবেই রুবি থেকে ওই রাস্তা ধরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে পৌঁছানো যাবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe