Ashoknagar Crude Oil Production: পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও জ্বালানি মানচিত্রে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর (Ashoknagar) তেলক্ষেত্র থেকে বাণিজ্যিকভাবে অপরিশোধিত খনিজ তেল উৎপাদন শুরু করল অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশন (ONGC)। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই বাণিজ্যিক উৎপাদন প্রক্রিয়ার সূচনা হয়। এই আবহে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) ফের একবার মনে করিয়ে দিলেন রাজ্যের শিল্প সম্ভাবনার কথা। পূর্বতন সরকারের আমলে কীভাবে বিপুল সম্ভাবনা চাপা পড়ে ছিল, সে কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

অশোকনগরে তেল এবং গ্যাসের সন্ধান বেশ কয়েক বছর আগে পাওয়া গিয়েছিল। ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর তৎকালীন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান অশোকনগরে এসে ওএনজিসি থেকে ‘ক্রুড ওয়েল’ প্রথম পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। তার কিছুদিন পরে অবশ্য করোনা পরিস্থিতিতে থেমে যায় কাজ। কিছু জমি-জটেরও কারণে ওএনজিসি-র কাজকর্ম পুরো বন্ধ হয়ে যায়। নতুন সরকার আসার পর অশোকনগরে ওএনজিসি-র কাজের গতি বাড়ে। প্রায় ছয় বছর পরে শুক্রবার অশোকনগরে বাণিজ্যিকভাবে ক্রুড অয়েল উৎপাদন শুরু হয়েছে শুক্রবার। বাইগাছির তেলক্ষেত্র থেকে হলদিয়ায় পাঠানো হয়েছে ১২০০ লিটার অপরিশোধিত তেল। ওএনজিসি সূত্রের খবর, বাইগাছির নির্দিষ্ট ওই খনিজ কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০ কিউবিক মিটার কাঁচা তেল মাটির গভীর থেকে তোলা সম্ভব হচ্ছে। মাটির তলা থেকে ওঠা তেলের সঙ্গে স্বভাবতই জল মিশ্রিত থাকে। সেই তেলকে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সেপারেটর ও ইটিপি (ETP) প্রযুক্তির মাধ্যমে জলমুক্ত ও পরিশোধন করার পরই ট্যাঙ্কার মারফত পাঠানো হচ্ছে হলদিয়া রিফাইনারিতে। আরও কয়েকটি কূপ খননের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। যা বাংলার শিল্প মানচিত্রে নয়া মাত্রা যোগ করেছে। শুধু তাই নয়, এই উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত বিজেপি রাজ্য সভাপতি।
শমীক ভট্টাচার্য তাঁর অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে এই সাফল্যকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি সরাসরি নিশানা করেছেন প্রাক্তন শাসকদল তথা তৃণমূল কংগ্রেসকে। তিনি লিখেছেন, 'এই সাফল্য প্রমাণ করে পশ্চিমবঙ্গে শিল্পের সম্ভাবনা ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। প্রয়োজন শুধু সঠিক নীতি, দ্রুত সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার।' তৃণমূল জমানার প্রশাসনিক ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে শমীক ভট্টাচার্য আরও যোগ করেন, 'দুঃখের বিষয়, তৎকালীন তৃণমূল সরকারের দীর্ঘদিন যাবৎ অনুমোদন না দেওয়া ও প্রশাসনিক গড়িমসির কারণে অশোকনগরের মতো সম্ভাবনাময় প্রকল্পও অযথা বিলম্বিত হয়েছে। এর মূল্য দিতে হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে। পশ্চিমবঙ্গ হারিয়েছিল বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের সুযোগ।' অশোকনগরে তৈলক্ষেত্রের বিষয়টি ধারাবাহিকভাবে রাজ্যসভায় এবং কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর কাছে তুলে ধরেছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। এই বিষয়ে একাধিকবার প্রশ্ন করতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। উত্তরও দিয়েছেন মন্ত্রী। এবার সেই অশোকনগরে তৈল উৎপাদন শুরু হতেই শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, 'দুর্নীতি, তোলাবাজি ও লাল ফিতার ফাঁস থেকে শিল্পকে মুক্ত করা দরকার। কর্মসংস্থান বাড়ুক, বিনিয়োগ আসুক, শক্তিশালী হোক পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি।'
{{/usCountry}}শমীক ভট্টাচার্য তাঁর অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে এই সাফল্যকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি সরাসরি নিশানা করেছেন প্রাক্তন শাসকদল তথা তৃণমূল কংগ্রেসকে। তিনি লিখেছেন, 'এই সাফল্য প্রমাণ করে পশ্চিমবঙ্গে শিল্পের সম্ভাবনা ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। প্রয়োজন শুধু সঠিক নীতি, দ্রুত সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার।' তৃণমূল জমানার প্রশাসনিক ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে শমীক ভট্টাচার্য আরও যোগ করেন, 'দুঃখের বিষয়, তৎকালীন তৃণমূল সরকারের দীর্ঘদিন যাবৎ অনুমোদন না দেওয়া ও প্রশাসনিক গড়িমসির কারণে অশোকনগরের মতো সম্ভাবনাময় প্রকল্পও অযথা বিলম্বিত হয়েছে। এর মূল্য দিতে হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে। পশ্চিমবঙ্গ হারিয়েছিল বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের সুযোগ।' অশোকনগরে তৈলক্ষেত্রের বিষয়টি ধারাবাহিকভাবে রাজ্যসভায় এবং কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর কাছে তুলে ধরেছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। এই বিষয়ে একাধিকবার প্রশ্ন করতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। উত্তরও দিয়েছেন মন্ত্রী। এবার সেই অশোকনগরে তৈল উৎপাদন শুরু হতেই শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, 'দুর্নীতি, তোলাবাজি ও লাল ফিতার ফাঁস থেকে শিল্পকে মুক্ত করা দরকার। কর্মসংস্থান বাড়ুক, বিনিয়োগ আসুক, শক্তিশালী হোক পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি।'
{{/usCountry}}সব মিলিয়ে একদিকে যেমন বাংলায় বাণিজ্যিক খনিজ তেল সরবরাহের ঐতিহাসিক সূচনা উদযাপন করা হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনই এই প্রজেক্টের বিলম্ব ও কৃতিত্ব নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে জোরালো রাজনৈতিক তরজা।