...
...
Next Story

School Biometric Attendance: স্কুলে পড়ুয়াদের জন্য বায়োমেট্রিক হাজিরা, অনুপস্থিতি বেশি হলে পরীক্ষায় নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত

রবিবার জলপাইগুড়িতে অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের জেলা সম্মেলনে যোগ দেন শিক্ষামন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, স্কুলে পড়ুয়াদের উপস্থিতি বাড়াতে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে রাজ্যের সমস্ত স্কুলে ধাপে ধাপে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স ব্যবস্থা চালু করা হবে।

Published on: Jul 27, 2026, 08:57:34 IST
Advertisement

School Biometric Attendance: তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ উঠেছিল। কোথাও ছাত্রসংখ্যা কমে যাওয়ায় স্কুল কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল, কোথাও আবার দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক-শিক্ষিকার অভাব শিক্ষার মানকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছিল। সেই পরিস্থিতি বদলে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে একাধিক উদ্যোগ নেওয়ার কথা ঘোষণা করল বর্তমান রাজ্য সরকার। জলপাইগুড়িতে এক অনুষ্ঠানে সেই পরিকল্পনারই রূপরেখা তুলে ধরলেন রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, স্কুলে পড়ুয়াদের উপস্থিতি বাড়াতে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে রাজ্যের সমস্ত স্কুলে ধাপে ধাপে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স ব্যবস্থা চালু করা হবে। (Nitin Sharma)
শিক্ষামন্ত্রী জানান, স্কুলে পড়ুয়াদের উপস্থিতি বাড়াতে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে রাজ্যের সমস্ত স্কুলে ধাপে ধাপে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স ব্যবস্থা চালু করা হবে। (Nitin Sharma)

রবিবার জলপাইগুড়িতে অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের জেলা সম্মেলনে যোগ দেন শিক্ষামন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, স্কুলে পড়ুয়াদের উপস্থিতি বাড়াতে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে রাজ্যের সমস্ত স্কুলে ধাপে ধাপে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স ব্যবস্থা চালু করা হবে। তাঁর দাবি, এই ব্যবস্থা চালু হলে একদিকে যেমন পড়ুয়াদের উপস্থিতি সঠিকভাবে নথিভুক্ত হবে, অন্যদিকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপর উপস্থিতি সংক্রান্ত অতিরিক্ত প্রশাসনিক চাপও অনেকটাই কমবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পড়ুয়াদের শুরু থেকেই উপস্থিতির গুরুত্ব বোঝাতে হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যাঁদের উপস্থিতির হার নির্ধারিত সীমার নিচে থাকবে, তাঁদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না। সরকারের মতে, এই কড়া অবস্থান নেওয়ার ফলে স্কুলে নিয়মিত উপস্থিতির প্রবণতা বাড়বে এবং পড়াশোনার ধারাবাহিকতাও বজায় থাকবে।

শুধু উপস্থিতি নয়, দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট দূর করতেও উদ্যোগী হয়েছে সরকার। দীপক বর্মণ আশ্বাস দিয়ে বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক সময়ে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। বহু স্কুলে দীর্ঘদিন ধরে শূন্যপদ থাকার অভিযোগ রয়েছে। সেই সমস্যা মিটিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান।

প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অন্তত তিন জন শিক্ষক নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে সরকার। এর ফলে একক শিক্ষক বা শিক্ষক সংকটে ভোগা স্কুলগুলির সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে প্রশাসনের আশা। পাশাপাশি, আপার প্রাইমারি স্কুলগুলিকে নিকটবর্তী হাইস্কুলের সঙ্গে যুক্ত করা যায় কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এতে অবকাঠামো ও শিক্ষক ব্যবহারে আরও সমন্বয় আনা সম্ভব হবে বলে মনে করছে শিক্ষা দফতর।

শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক সংস্কারমূলক পদক্ষেপের এই ঘোষণাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বায়োমেট্রিক উপস্থিতি, শিক্ষক নিয়োগ, আধুনিক ল্যাব নির্মাণ এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ন্যূনতম শিক্ষক নিশ্চিত করার মতো পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেই আশা শিক্ষা মহলের একাংশের। এখন নজর থাকবে, ঘোষিত প্রকল্পগুলি কত দ্রুত বাস্তবের রূপ পায় এবং তার সুফল রাজ্যের পড়ুয়ারা কতটা পান। প্রয়োজনে এটিকে আরও সংবাদপত্রের প্রথম পাতার উপযোগী বা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্টের ভাষাতেও রূপান্তর করে দিতে পারি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe