...
...
Next Story

Sealdah Division: পূর্ব রেলের মুকুটে নয়া পালক, দক্ষতায় দেশের সেরা দশে শিয়ালদহ

২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রায় ৮১ কোটি যাত্রী বহন করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এটি একটি বড় নজির। একই সময়ে মেল, এক্সপ্রেস এবং লোকাল ট্রেনের মিলিত সময়ানুবর্তিতা প্রায় ৯৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

Published on: Sep 3, 2026, 14:15:09 IST
Advertisement

কর্মদক্ষতা ও যাত্রী-নিরাপত্তায় বড় সাফল্য পেল শিয়ালদহ ডিভিশন। রেলওয়ে বোর্ডের দক্ষতা সূচকে দেশের ৬৮টি ডিভিশনের মধ্যে দশম হয়েছে তারা। পূর্ব রেলের একমাত্র ডিভিশন হিসেবে জায়গা হয়েছে প্রথম দশে। রেলওয়ে বোর্ড নিয়মিত বিভিন্ন মাপকাঠিতে ডিভিশনগুলির কাজ বিচার করে। ট্রেন চলাচল থেকে যাত্রী নিরাপত্তা। ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণ থেকে পরিকাঠামো উন্নয়ন। যাত্রী ও পণ্য পরিবহণও দেখা হয়। পাশাপাশি দেখা হয় আয় বৃদ্ধির হিসাব। এই সব ক্ষেত্র মিলিয়েই তৈরি হয় দক্ষতা সূচক। সেই মূল্যায়নেই নজর কেড়েছে শিয়ালদহ।

২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রায় ৮১ কোটি যাত্রী বহন করেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রায় ৮১ কোটি যাত্রী বহন করেছে।

২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রায় ৮১ কোটি যাত্রী বহন করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এটি একটি বড় নজির। একই সময়ে মেল, এক্সপ্রেস এবং লোকাল ট্রেনের মিলিত সময়ানুবর্তিতা প্রায় ৯৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

তবে কিছু সমস্যা এখনও রয়েছে। লেভেল ক্রসিংয়ের জটিলতা আছে। সিগন্যালিংয়ের সমস্যাও দেখা যায়। পরিচালনগত কারণেও কিছু লোকাল দেরি করে। তবু সামগ্রিক সময়ানুবর্তিতা যথেষ্ট ভালো। গত এক বছরে শিয়ালদহ ডিভিশনে ১৫টি নতুন ইএমইউ লোকাল চালু হয়েছে। ফলে মোট লোকাল ট্রেনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪২।

যাত্রী পরিষেবাতেও এসেছে বদল। শিয়ালদহ স্টেশনের একাধিক প্রবেশপথ নতুন করে সাজানো হয়েছে। এর ফলে ব্যস্ত সময়ে যাত্রী চলাচল কিছুটা সহজ হয়েছে। মেট্রো এবং অন্যান্য পরিবহণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগও সুবিধাজনক হয়েছে।

চলতি বছর দূরপাল্লার যাত্রীদের জন্য শিয়ালদহ স্টেশনের পঞ্চম প্রবেশপথও খুলেছে রেল। তবে স্টেশনের বাইরে যানজট এখনও বড় সমস্যা। পরিস্থিতি সামলাতে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করছে রেল। ভিড় নিয়ন্ত্রণেও প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়েছে।

পরিকাঠামো উন্নয়নেও জোর দেওয়া হয়েছে। একাধিক সেতুর গার্ডার বদল করা হয়েছে। ১৮৩ কিলোমিটার রেলপথে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১১০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালানোর অনুমতিও মিলেছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও বড় পদক্ষেপ করেছে শিয়ালদহ ডিভিশন। শহরতলির ট্রেনে ‘কবচ’ প্রযুক্তি বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। মেমু রেকগুলিতে প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে।

৪২টি স্টেশনে বসেছে স্বয়ংক্রিয় অগ্নি-সতর্কতা ব্যবস্থা। ১২৭টি স্টেশনে চালু হয়েছে সিসি ক্যামেরা-সহ আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে দুর্ঘটনা রুখতে। রেলের দাবি, প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। রেলের বাতিল সামগ্রী বিক্রি থেকেও আয় বেড়েছে। একই সঙ্গে টিকিটের বাইরের বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকেও রাজস্ব বাড়িয়েছে ডিভিশন। সব মিলিয়ে শিয়ালদহ এখন শুধু ব্যস্ত ডিভিশন নয়। দক্ষতা, নিরাপত্তা, পরিষেবা এবং আয়—চার ক্ষেত্রেই নজির গড়ার পথে এগোচ্ছে তারা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe