...
...
Next Story

Sealdah Flyover Encroachment: শিয়ালদহ ফ্লাইওভারের তলায় বুলডোজার চালানোর প্রস্তুতি, দখলদারদের ৭ দিনের আল্টিমেটাম

একাধিক এলাকায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙার পর এবার নজরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ উড়ালপুলের নিচে গড়ে ওঠা বেআইনি বাজার ও দোকানপাট। কলকাতা পুরসভা শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং যাদবপুর-সন্তোষপুর সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে থাকা দখলদারদের সাত দিনের মধ্যে জায়গা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে।

Published on: Jun 28, 2026, 11:37:44 IST
Advertisement

কলকাতা শহরে বেআইনি দখলদারি ও অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করল প্রশাসন। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বুলডোজার অভিযান চলছে। তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ একাধিক এলাকায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙার পর এবার নজরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ উড়ালপুলের নিচে গড়ে ওঠা বেআইনি বাজার ও দোকানপাট। কলকাতা পুরসভা শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং যাদবপুর-সন্তোষপুর সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে থাকা দখলদারদের সাত দিনের মধ্যে জায়গা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে।

কলকাতা পুরসভা শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং যাদবপুর-সন্তোষপুর সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে থাকা দখলদারদের সাত দিনের মধ্যে জায়গা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে।
কলকাতা পুরসভা শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং যাদবপুর-সন্তোষপুর সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে থাকা দখলদারদের সাত দিনের মধ্যে জায়গা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে।

শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে দুই এলাকায় আনুষ্ঠানিক নোটিস টাঙানো হয়। সেখানে জানানো হয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে স্বেচ্ছায় অবৈধ দখল সরিয়ে না নিলে কলকাতা পুর কর্পোরেশন আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। প্রশাসনের দাবি, সাধারণ মানুষের চলাচল সহজ করা, যানজট কমানো এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, সুকান্ত সেতু যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। সুলেখা মোড় থেকে গোপালনগর পর্যন্ত বিস্তৃত এই উড়ালপুলের নিচে দীর্ঘদিন ধরে সন্ধ্যার বাজার, হকার্স মার্কেট এবং অসংখ্য অস্থায়ী দোকান গড়ে উঠেছে। একইভাবে শিয়ালদহ স্টেশন সংলগ্ন বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বছরের পর বছর ধরে বেআইনিভাবে বড় বাজার ও বহু দোকানপাট তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের মতে, এসব নির্মাণ শুধু সরকারি জমি দখলই নয়, পথচারী ও যানবাহনের চলাচলেও বাধা সৃষ্টি করছে।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাতেও উচ্ছেদের নোটিস দিয়েছে কলকাতা পুরসভা। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সরকারি জমি দখল করে বসবাস করছেন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার মানুষ। শুধু ঝুপড়ি নয়, সেখানে একাধিক দোতলা পাকা বাড়িও গড়ে উঠেছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জায়গা খালি না করলে সেখানেও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে বলে নোটিসে জানানো হয়েছে।

প্রশাসনের বক্তব্য, সরকারি জমি দখলমুক্ত করা এবং নাগরিক পরিকাঠামোকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। তবে সম্ভাব্য উচ্ছেদকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগও বাড়ছে। পুনর্বাসনের প্রশ্নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe